কারখানার ভিতরেই নিরাপত্তারক্ষীর মৃতদেহ উদ্ধার। ঘটনাটিকে ঘিরে শুক্রবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সালানপুর থানার দেন্দুয়া অঞ্চলের একটি বেসরকারি ইস্পাত কারখানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নিরাপত্তারক্ষীর নাম আনন্দ আরিন্দা (৩৫)। তাঁর বাড়ি হীরাপুর থানা এলাকায়। সালানপুরের দেন্দুয়া অঞ্চলে একটি বেসরকারি কারখানায় চাকরি করতেন আনন্দ আরিন্দা। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে৷ তাঁর গুলি লাগে বলে অনুমান৷ ওই কারখানাতেই কর্মরত গ্যানম্যানের বন্দুক থেকে গুলি চলে বলে দাবি৷ একটি বন্দুক মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল বলেও দাবি৷ পলাতক গ্যানম্যান আশিস দাস৷ এটা খুন না আত্মহত্যা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

Narendrapur News: মদ্যপানের পর জলে নেমেই বিপত্তি? নরেন্দ্রপুরে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে রহস্য
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে হঠাৎই অন্যান্য শ্রমিকরা একটি শব্দ শুনতে পান। শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখেন, মাটিতে পড়ে রয়েছেন কারখানার শ্রমিক আনন্দ আরিন্দা। কারখানার নিরাপত্তারক্ষীরাও ছুটে আসেন এবং আনন্দ আরিন্দার বুকে গুলি লেগেছে বলে জানান। তাঁর পাশে একটি বন্দুকও পড়েছিল। কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, আনন্দ আরিন্দা সাধারণ নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁর কাছে বন্দুক থাকার কথা নয়। পরে জানা যায়, ওই বন্দুকটি কারখানার গ্যানম্যান আশিস দাসের।

Berhampore News: বিশ্বকর্মা পুজোয় মদ খাওয়ার জন্য বাড়িতে ডেকে বন্ধুকে গুলি করে খুনের অভিযোগ
ঘটনার পর থেকেই আশিস দাস পলাতক। অন্যান্য কর্মীদের দাবি, আশিস দাস নিজের বন্দুকটি আনন্দের কাছে রেখে সকালে জলখাবার খেতে গিয়েছিলেন কারখানার বাইরে। তখনই কোনওভাবে গুলি চলে যায় এবং আনন্দ আরিন্দার গায়ে লাগে। এই ঘটনাটি আত্মহত্যা না খুন, তা নিয়ে রীতিমতো ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে৷ যদিও এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িয়ে আছে কিনা, সে বিষয়েও খোঁজ করছে পুলিশ। পুলিশ পলাতক আশিস দাসের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে৷ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলেই গোটা বিষয়টি সামনে আসবে বলেই অনুমান পুলিশের। সালানপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে৷ ইতিমধ্যেই বন্দুকটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং মৃত আনন্দ আরিন্দার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

North 24 Parganas News: গায়ে কেরোসিন ঢেলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু নবম শ্রেণীর ছাত্রীর, চাঞ্চল্য গাইঘাটায়
কারখানার কর্মী উত্তম মল্লিকের দাবি, ‘‘আমি কাজ করছিলাম৷ সেসময় হঠাৎ করে একটা আওয়াজ হয়৷ ঘুরে তাকাতেই দেখি আনন্দ পড়ে রয়েছে৷ আমি সবাইকে ডেকে আনি৷ ভেবেছিলাম বিদ্যুতের শক খেয়েছে৷ পরে নিরাপত্তারক্ষীরা দেখে বলে গুলি লেগেছে৷ আমি একটা আওয়াজ শুনেছি, সেটা গুলির কিনা বলতে পারব না৷ পুলিশ এসে মৃতদেহটি নিয়ে গিয়েছে৷’’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published.