Produced by Rupa Saha | Ei Samay | Updated: Sep 23, 2022, 6:52 AM

Durga Puja আয়োজনের ক্ষেত্রেও পুরনোদের ব্রাত্য রাখার অভিযোগই প্রধান। এমনকী গত দু’বছর দলের যে সাংস্কৃতিক সেলের নেতারা পুজোর যাবতীয় আয়োজন করেছেন, তাঁরাও এ বার গুরুত্ব না পেয়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্তর (Sukanta Majumdar) কাছে উষ্মা প্রকাশ করেছেন বলে খবর। সব মিলিয়ে মহালয়ার মুখে দুর্গাপুজো নিয়েও বঙ্গ-বিজেপির (BJP Bengal) গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

 

Durga Puja

হাইলাইটস

  • এ বছরই রাজ্য বিজেপি-র নামে শেষ দুর্গাপুজো।
  • জানিয়ে দিয়েছেন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
  • সেই শেষ বারের পুজো আয়োজন নিয়েও গেরুয়া শিবিরে তীব্র মন কষাকষি সামনে এসে পড়েছে।
এই সময়: এ বছরই রাজ্য বিজেপি-র নামে শেষ দুর্গাপুজো। জানিয়ে দিয়েছেন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই শেষ বারের পুজো আয়োজন নিয়েও গেরুয়া শিবিরে তীব্র মন কষাকষি সামনে এসে পড়েছে।
Mamata Banerjee: শহরের গতি বাড়াতে উত্তরে আরও উড়ালপুল, টালা ব্রিজ উদ্বোধনে এসে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী
এ ক্ষেত্রেও পুরনোদের ব্রাত্য রাখার অভিযোগই প্রধান। এমনকী গত দু’বছর দলের যে সাংস্কৃতিক সেলের নেতারা পুজোর যাবতীয় আয়োজন করেছেন, তাঁরাও এ বার গুরুত্ব না পেয়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্তর কাছে উষ্মা প্রকাশ করেছেন বলে খবর। সব মিলিয়ে মহালয়ার মুখে দুর্গাপুজো নিয়েও বঙ্গ-বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’-একদিনের মধ্যে বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা সুকান্তর। এই বিষয়ে ওই সেলের আহ্বায়ক অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের মন্তব্য, ”পুজোর দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সেটা দলের সিদ্ধান্ত। গত দু’বছর সাংস্কৃতিক সেলই পুজো করেছে। এ বছর উত্তর কলকাতার নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুজোর আয়োজন নিয়ে দু’-একদিনের মধ্যেই সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে কথা হবে।”
BJP West Bengal: ‘কোটিপতি হতে চাই’, বিধানসভার বাইরে ঘুগনি-ঝালমুড়ির ‘দোকান’ বিজেপিরবঙ্গ-বিজেপি নেতৃত্ব ঠিক করেছেন, দলের ব্যানারে তাঁরা আর দুর্গাপুজো করবেন না। শাস্ত্র মতে এক বার দুর্গাপুজো করলে নাকি পর পর তিন বছর করতেই হয়। বিজেপিকেও তাই এ বছর পুজো করতে হচ্ছে। কারণ, ২০২০ সালে তারা প্রথম দুর্গাপুজো করেছিল। গত দু’বছর ইজেডসিসিতে দলের পুজোর আয়োজনের ভার বর্তেছিল সাংস্কৃতিক সেলের উপরে। এবং পুজোয় ‘সংকল্প’ করেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এ বছর প্রতাপ আমন্ত্রণই পাননি দলের পুজো-বৈঠকে। দলের সাংস্কৃতিক সেলের নেতারাও ডাক পাননি। ইজেডসিসিতে দুর্গাপুজোর আয়োজনের ভার এ বছর তুলে দেওয়া হয়েছে দলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার মহিলা এবং যুব মোর্চার উপরে। বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের এক পদাধিকারীর কথায়, ‘গত দু’বছর আমরাই দুর্গাপুজোর সব রকম আয়োজন করেছি। এ বছর উত্তর কলকতার যুব এবং মহিলা মোর্চার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। তাতে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু আমাদের জানিয়ে সেটা করা যেতে পারত। এর ফলে দলে ভুল বোঝাবুঝি আরও বাড়বে।’
Sreebhumi Durga Puja Theme : ‘ওকে ঘ্যাচাং ফু করে দেব’, পুজোয় যানজট নিয়ে সুজিতকে সতর্কবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
সূত্রের খবর, দলের পুরনো নেতাদের সঙ্গে পুজো আয়োজনের বিষয়ে এ বছর কোনও রকম আলোচনাই করা হয়নি। যা নিয়ে যারপরনাই ক্ষুব্ধ গেরুয়া শিবিরের একাংশ। বিজেপির এক প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদকের কথায়, ‘সাংগঠনিক কমিটিগুলি থেকে পুরনো নেতা-কর্মীদের আগেই ছেঁটে ফেলা হয়েছে। এ বার পুজোর আয়োজনেও পুরনোদের বাদ দেওয়া হলো। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বার বার পুরনো নেতা-কর্মীদের সম্মান দেওয়ার কথা বলছেন। অথচ আমাদের দলের ক্ষমতাসীন শিবির নিজেদের মতোই চলছে।’ এই প্রসঙ্গে সুকান্তর বক্তব্য, ‘এ বছরই সম্ভবত আমাদের শেষ দুর্গাপুজো। সেখানে দলের সাংস্কৃতিক সেলকে অবশ্যই সামিল করা হবে। তবে নতুনদেরও দায়িত্ব দিতে হবে। তাদেরও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। পুরনোরাই সব কিছু করলে নতুন নেতা-কর্মী কী ভাবে তৈরি হবেন?’

আশপাশের শহরের খবর

Eisamay News App: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published.