রাজ্যের নিয়োগ নিয়ে এবার কেন্দ্রের তরফ থেকে এল চিঠি। বাংলার দুই জেলায় জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের (Jawahar Navodaya Vidyalaya) জমি জট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Education Minister Dharmendra Pradhan)। এবিষয়ে চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে মানুষের আস্থা যেভাবে ধাক্কা খেয়েছে তা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। এবিষয়ে সমস্ত কেন্দ্রীয় সহযোগিতা পাবে রাজ্য বলে আশ্বাস কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর।

চিঠিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছেন, রাজ্যে বহুদিন ধরে জটিলতায় আটকে শিক্ষক নিয়োগ। রাজ্যস্তরে এসএলএসটি (SLST) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল। কিন্তু শেষ অবধি ২০১৬ সালে সেই নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পরও তা নিয়ে একাধিক অভিযোগ ওঠে ও মামলা দায়ের হয়। সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্টাফ নিয়োগেও স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও ওঠে একাধিক প্রশ্ন।

Justice Abhijt Ganguly: ‘প্রাথমিকে অকল্পনীয় দুর্নীতি হয়েছে,’ আদালতে জোড়া রিপোর্ট CBI-এর

এখানেই শেষ নয়, চিঠিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী লিখেছেন, শিক্ষকরা আমাদের সমাজের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তারা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করেন। আগামীর দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে শিক্ষা দেন। বাংলার এই নিয়োগ কেলেঙ্কারি শিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষতি ডেকে আনবে। সেই ক্ষতি সংশোধনের জন্য উচিত পদক্ষেপ নেওয়ার একান্ত অনুরোধ রইল।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মালদহের জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের (Jawahar Navodaya Vidyalaya) নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। ২০০৭ সালে অনুমোদন পেয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জহর নবোদয় বিদ্যালয়। কিন্তু ১৫ বছর বাদেও স্থায়ী ভবন তৈরি না হওয়ায় অস্থায়ী জায়গায় চলছে পড়াশুনো। ২০১৬ সালে অনুমোদন পায় মালদার বিদ্যালয়, কিন্তু সেখানে কোনও ভবন না মেলায় ছয় বছর পরও শুরু হয়নি স্কুলের কাজ।

Justice Abhijit Ganguly : পুজোর আগেই SSC-তে নিয়োগের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, বেআইনি প্রার্থীর তালিকা চাইল হাইকোর্ট

উল্লেখ্য, জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের জন্য রাজ্য সরকারকেই জমির ব্যবস্থা করে দিতে হয়। স্কুল পুরোপুরি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভবনেরও দায়িত্ব থাকে রাজ্যের। একইসঙ্গে স্কুলে অন্তত ২৪০ জন আবাসিক পড়ুয়াদের ব্যবস্থা থাকতে হয়। এই সমস্যাতেই আটকে রাজ্যের দুই জহর নবোদয় বিদ্যালয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও কলকাতার আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে বিস্তারিত খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published.