অভিজিৎ দে ভৌমিকের বিরুদ্ধে পাওয়া পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘ জনগণের অবগতির জন্য প্রচারিত। বর্তমান সভাপতি ও বিগত দিনে ছাত্রনেতা অভিজিৎ দে ভৌমিক সম্পর্কে জানুন যিনি আজকে সাধু সাজার চেষ্টা করছেন… ১)কোচবিহার শহরের বিভিন্ন কলেজে বিগত দিনে ভর্তির নামে অনার্স পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন হওয়ার যোগ্যদের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা, ২) রয়েল সহ বিভিন্ন চিট ফান্ড থেকে সাধারণ মানুষের টাকা ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া ও শিলিগুড়ির কাছে রয়েল এর টাকাসহ গাড়ি ছিনতাই এ অভিযুক্ত ( শিলিগুরি কোটে মামলা), ৩) এক মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিন সহবাসের অভিযোগ উকিল স্বামীর ও বহু অপ্রকাশিত ঘটনা পড়ে ধামাচাপা যার পেপার কাটিং আছে, ৪) প্রাইমারি সহ বহু চাকরি ও ট্রান্সফারের অভিযোগে অভিযুক্ত। কোচবিহার নাগরিক মঞ্চ।’
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, ‘BJP তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনও রাস্তা না পেয়ে আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে এই কাজ করছে। কিন্তু, এইভাবে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়লাভ করা সম্ভব হবে না। এই চক্রান্তের তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা। জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে আমরা আইনি রাস্তায় হাঁটব।’ অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘একের পর এক তৃণমূল নেতার নামে পোস্টার পড়েছে। তারা প্রত্যেকেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সেকথা জনগণ জেনে গিয়েছে। বিজেপি কারও ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে না। আমরা মানুষের সঙ্গে আছি, থাকব।’
জেলার এক পর এক তৃণমূল নেতার নামে পোস্টার শাসক শিবিরের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা পৌরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও প্রাক্তন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান কল্যাণী পোদ্দার নামে লিফলেট পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। এমনকী জেলার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের নামেও পোস্টার পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
