প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় বিমান সেবিকা (Kolkata Air Hostess Death) দেবপ্রিয়া বিশ্বাসের মৃত্যু ঘিরে একাধিক রহস্য ঘণীভূত হচ্ছিল। আদৌ তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন না কি চারতলা থেকে ধাক্কা মারা হয়েছিল তাঁকে? তাঁর সোশাল মিডিয়া পোস্টেও একাধিক বিষয় সামনে আসছিল। কেন তিনি এয়ারলাইন্সের চাকরি খুইয়েছিলেন, তা নিয়েও বিস্তর প্রশ্ন ছিল।

Kolkata Air Hostess Suicide : বহুতল থেকে মরণঝাঁপ! চাকরিহারা বিমান সেবিকার মর্মান্তিক পরিণতি
কী ভাবে মৃত্যু বিমান সেবিকার?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে দেবপ্রিয়ার মরদেহের। রিপোর্টে কোনওরকম সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলেই খবর। দেহের আঘাত বাইরে থেকে করা হয়নি। অর্থাৎ চারতলা থেকে সজোরে রাস্তায় পড়েই গুরুতর রক্তক্ষরণ হয়েছিল দেবপ্রিয়ার। এ ক্ষেত্রে বিমান সেবিকাকে খুনের চেষ্টায় আঘাতের বিষয়টি কার্যত বাতিল করে দিয়েছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে তাঁর বাড়ি থেকে কোনওরকম সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। ফলে তিনি আত্মঘাতী হননি বলেই মনে করছে পুলিশ। সে ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুর্ঘটনাবশতই চারতলা থেকে পড়ে গিয়েছেন দেবপ্রিয়া। আর তার জেরেই এই মৃত্যু। যদিও এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ (Kolkata Pragati Maidan Police)।

Kolkata Air Hostess Death : অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত জিমে কসরত, হঠাৎ কী হল? বিমান সেবিকার মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা
দেবপ্রিয়া বিশ্বাসের ফেসবুকে কীসের ইঙ্গিত?

২৭ বছরের দেবপ্রিয়া বিশ্বাসের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলে দেখা গিয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বরের পর কলকাতা ফিরেছিল সে। ‘প্রিয়তমা’ বিমানকে সাময়িক বিদায় জানিয়েছিল। কথা দিয়েছিল আবার ফিরে আসবে বিমানে। কিন্তু, আর ফ্লাই করা হল না আকাশপথে। তারপর থেকেই কাজ না পাওয়ার মানসিক চাপে ছিলেন দেবপ্রিয়া। কিন্তু, সেই মানসিক অবসাদ থেকে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। কারণ বিমান সেবিকার ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। বিমান সেবিকার শেষ পোস্ট মৃত্যুর ঠিক এক মাস আগে । জিমে শরীরচর্চা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। জোরকদমে চলছিল কসরত। তবে কি ঘাম ঝরিয়ে, বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফের একবার ফ্লাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি? নাকি হঠাৎ করে ওয়েট পুট অন বিমান সেবিকার কাজ না পাওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই তদন্ত চালাচ্ছে প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ। পরিবারের লোকজনের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা । কোনও ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version