West Bengal News : একদিনের মধ্যেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার দুটি জঙ্গলে ভয়াবহ আগুন (Fire in Forest) লাগল। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হল বিস্তীর্ণ জঙ্গল এলাকা। প্রথমে কেশপুর (Keshpur) থানার অন্তর্গত বাঘাশোল বিট অফিস থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে শাল জঙ্গলে ভয়াবহ আগুনে (Fire in Forest) পুড়ে ছাই হল গোটা জঙ্গল। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের বেশ কিছু মানুষ চেষ্টা চালালেও শেষ রক্ষা হয়নি। জঙ্গলে শুকনো পাতা থাকায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

Durgapur Fire Incident : দুর্গাপুরে বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই একাধিক বাড়ি
স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, ভয়াবহ আগুন লাগলেও দীর্ঘক্ষন ধরে ঘটনাস্থলে দেখা মেলেনি বন দফতরের (Forest Department) কোনও কর্মীকে। এই বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “জঙ্গলে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি। কিন্তু এমন ভয়াবহ আগুনের সামনে আমরা অসহায় ছিলাম। তড়িঘড়ি বন দফতরকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও কারোর দেখা মেলেনি। যতক্ষণে বন দফতরের লোক আসেন, ততক্ষণে জঙ্গল পুরো পুড়ে গিয়েছে।”

Fire Incident : ক্ষীরপাইতে বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৫ টি বাড়ি
এদিকে, কেশপুরের (Keshpur) জঙ্গলে আগুন লাগার ঘটনার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এবার মেদিনীপুর সদর ব্লকের সিজুয়ায় জঙ্গলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছে দমকল আধিকারিকরা। উল্লেখ্য প্রতিবছরই শীতের শেষের দিকে জঙ্গলে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। আগুন লাগানো নিষিদ্ধ বলে বন দফতরের তরফে বারবার সর্তকতা জারি করা হলেও কোনও লাভ হয় না। চলতি মরসুমেও একের পর এক জঙ্গলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আটকাতে, বন দফতর কী ভূমিকা নেয় সেটাই এখন দেখার। কখনও মানুষের আনন্দ আবার কখনও অসচেতনতা, যার কারণে ধ্বংস হচ্ছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার সবুজ অরণ্য। শীতের শেষে পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে লাগানো হচ্ছে আগুন।

New Town Fire : নিউটাউনে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই ১৫টি দোকান
যে কারণে জঙ্গলের মধ্যে থাকা বিপদজনক হয়ে উঠছে হাতি সহ অন্যান্য পশুপাখিদের।বর্তমানে লোকালয় হাতির হানা প্রায়ই দেখা যায়। তার প্রধান কারণ নগরায়ন ও মানুষের আনন্দের জন্য জঙ্গলে লাগানো আগুন। তাই পরিবেশ বাঁচানোর আহ্বান নিয়ে সরব হয়েছেন পরিবেশপ্রেমীরা। পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় শাল গাছের বন রয়েছে। শীতের শেষ সময় শাল গাছের শুকনো পাতা ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। আর সেই শুকনো পাতায় কেউবা কারা আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে পুড়ে ছাই হচ্ছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার বনাঞ্চল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version