কাকে শোকজের জবাব দিতে হবে, তা জানতে ও যাবতীয় বিভ্রান্তি দূর করতে আজ জেলা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরে হাজির যৌথ মঞ্চের শিক্ষক শিক্ষিকারা। ধর্মঘটে সামিল হওয়া শিক্ষক শিক্ষিকাদের অভিযোগ স্কুলে মেল পাঠিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে শোকজ করা হয়েছে। কিন্তু শোকজের জবাব কাকে দিতে হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
আন্দোলনকারী স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি, এই ধরনের শোকজ নোটিশ পাঠিয়ে তাঁদের অযথা বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। সেই কারণেই শোকজের জবাব কোথায় দিতে হবে তা তাঁদের জানানো হয়নি। সেই কারণে আজ তাঁরা যাবতীয় বিভ্রান্তি দূর করতে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক-করণে গিয়েছিলেন।
মঞ্চের সদস্য কৌশিক চক্রবর্তী বলেন, “তিনটি দাবি নিয়ে যৌথমঞ্চ দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যব্যাপী আন্দোলন করে যাচ্ছে। শূন্যপদগুলি রয়েছে তাতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করতে হবে। আমাদের দ্বিতীয়ত সমকাজে সমবেতন দিতে হবে। এর পাশাপাশি ডিএ নিয়ে আমাদের দাবি রয়েছে। তিনটি দাবি নিয়ে ১০ মার্চ আইনিভাবে ধর্মঘট করা হয়। সংবিধান অনুযায়ী কমিটি গঠন করে সরকারের আলোচনার করার কথা কিন্তু সরকার তা করেনি।”
তিনি আরও বলেন, “১০ মার্চ সার্বিকভাবে ধর্মঘটের পর আমাদের শোকজ করা হয়। শোকজের উত্তর আমরা দিয়েছি, কিন্তু তা জমা করব কোথায়। যিনি শোকজ করেছেন তাঁকেই জবাব দেওয়া উচিৎ, কিন্তু সবার পক্ষে কলকাতা যাওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণে ডিআইকে শোকজ জমা দিতে বলেন। শোকজগুলি স্কুলগুলিকে সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। সমস্যা হল আমি আলাদাভাবে শোকজ হয়েছি, উত্তর দিচ্ছি যৌথভাবে। সেই কারণেই আমরা ডিআই ম্যাডামের কাছে এসেছি। আমাদের দাবি, আমরা এখানে উত্তর জমা দেব।”
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন চলছে। ডিএ বৃদ্ধির দাবিতে তাঁরা অনড়। কিন্তু, সরকারের তরফে এই মুহূর্তে ডিএ বাড়ানো সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিন পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেটাই দেখার
