খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান কাউন্সিলর ও কোচবিহার জেলা তৃনমুল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। স্থানীয় কাউন্সিলর মিনতি বড়ুয়াও সেখানে যান। তাঁদের তত্ত্বাবধানে গোটা ঘটনার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশে খবর দেওয়া হলে রাতেই তারা সেই পাথর তুলে নিয়ে যায়।
আর এই গোটা ঘটনা নিয়ে প্রত্যাশিতভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান উতোর। গোটা ঘটনা বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল। পালটাতৃণমূলউদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলেই অভিযোগ বিজেপির।
স্থানীয় কাউন্সিলর তৃনমূলের মিনতি বড়ুয়া বলেন, ‘ছাদ ঢালাইয়ের জন্য যেভাবে রাস্তার ওপর পাথর ফেলে অসুবিধা করছে সেটা মানা যায়না। সাধারণ মানুষের এতে যাতায়াত করতে সমস্যা হবে। সেই কারণে আমরা গোটা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। তাঁরা পদক্ষেপ করেছে।’
যে ওয়ার্ডের ঘটনা তার পাশের ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর তথা কোচবিহার জেলা তৃনমুল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “যে কেউ ছাদ ঢালাই দিতে পারে। এই নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। কিন্তু এভাবে মানুষের অসুবিধা করে গোটা রাস্তা জুড়ে পাথর ফেলে রাখা হয়েছে এটা ঠিক হয়নি।”
যদিওবিজেপিবিধায়ক মালতি রাভা রায় বলেন, “আজ ছাদ ঢালাই রয়েছে। তাই রাত ১২ টার পর ওই পকেট রুটে পাথর ফেলা হয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই ধরণের অভিযোগ করা হচ্ছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতির বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর পাথর পড়েছিল দীর্ঘদিন। তখন কিছু হয়নি, পুলিশও কোনও পদক্ষেপ করেনি। ঢালাইয়ের কাজ আটকাতে উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে।”
