জানা গিয়েছে, মালদা থেকে কলকাতা অবধি বিমান পরিষেবার জন্য সম্প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে একটি সংস্থা। এরপরই তড়িঘড়ি মালদা বিমানবন্দরকে আরও সাজিয়ে তোলার প্রস্তুতি শুরু।
শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে পরিষেবা বলে খবর। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আগ্রহী বিমান সংস্থার প্রতিনিধিরা মালদায় এসে বিমানবন্দর ঘুরে দেখেন ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। রাজ্য পরিবহণ ও অসামরিক বিমান পরিবহণ দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে মালদা বিমানবন্দরের পরিষেবার খুঁটিনাটি। তবে মালদা এয়ারপোর্টে পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান ও পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত দিন থেকে মালদায় বিমানবন্দর পরিষেবা চালু হবে।
মালদা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা খবর, কিছুদিন আগে বিমান সংস্থার প্রতিনিধিরা মালদা বিমানবন্দরের পরিদর্শন করার পর তারা জানিয়েছে আপাতত নয় আসন সংখ্যা বিশিষ্ট বিমান পরিষেবা চালু করতে তারা এগিয়ে এসেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই মালদা থেকে বিমান পরিষেবা চালু করা হবে।
তবে মালদায় ১০৯৯ লম্বা রানওয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে অত ছোট রানওয়েতে বড় বিমান নামানো সম্ভব নয়। ৪৫ থেকে ৬০ আসনের বিমান ওড়াতে আরও বড় রানওয়ে দরকার। তাই বিমানবন্দরর চালু করা নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল সরকার।
মালদা-কলকাতা বিমান ভাড়া
জানা গিয়েছে, মালদা থেকে কলকাতা রুটের সরাসরি বিমানের ভাড়া হতে পারে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। পৌঁছতে সময় লাগবে এক ঘণ্টা।
মালদা মার্চেন্ড চেম্বার কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুন্ডু জানান, ”দীর্ঘদিন ধরে দাবি ছিল যে মালদা থেকে বিমান পরিষেবা চালু করা হোক। চালু করার বিষয়ে আমরা কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার বহুবার চিঠি করে আবেদন জানিয়েছি। তবে এখানে বিমান পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে নানা জটিলতা রয়েছে। বড় বিমান চালু করার ক্ষেত্রে এর আগে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। বিমান পরিষেবা কবে চালু হবে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন তরফ থেকে কোনরকম সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছিল না। যার ফলে জেলা ব্যবসায়ী মহল তথা জেলাবাসী সবাই নিরাশ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে এই সংস্থা এগিয়ে আসতেই আশায় বুধ বাঁধছে মালদা। এখান থেকে বিমান পরিষেবা চালু হলে যেমন জেলার ব্যবসায়ীদের ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নতি হবে তেমনি স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা সব ক্ষেত্রেই উন্নতি।”
