বিদেশগামী শিলিগুড়ির এক যাত্রী এই বিষয়ে বলেন, ‘আমি ৩ দিন আগে ফ্লাইটের টিকিট কিনেছি। তাই শনিবারের ভোটের কথা ভেবে আজই কলকাতাতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি। কিন্তু, এখন দেখছি এখান থেকে দূরপাল্লার কোনও বাসই আজ ছাড়ছে না। রাস্তায় বাসের দেখাই পাচ্ছি না। ট্রেনেও টিকিট নেই’। আরও অনেক যাত্রীই পঞ্চায়েত ভোটের কথা ভেবে আজ শুক্রবার গন্তব্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
অন্যদিকে, টার্মিনালে আন্তঃজেলা বাসের সংখ্যাও তুলনামূলক কম। জেলার অন্যান্য জায়গা থেকে মাত্র কয়েকটি বাস চলাচল করছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, আজ রাজ্যে রয়েছে প্রচুর বিয়েবাড়ি। সেই জায়গাগুলিতে আমন্ত্রিতদের পৌঁছতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। সঠিক সময়ে পৌঁছে নিমন্ত্রণ রক্ষা করা যাবে কিনা, এই নিয়েও চিন্তিত রয়েছেন অনেকেই।
শুধু যে ভোটের কারণে নির্বাচন কমিশন বাস বা গাড়ি তুলে নিয়েছে তা নয়। ভোটে হিংসা বা ঝামেলার আশঙ্কাতেও অনেক বাস বা গাড়ির মালিক রাস্তায় এই ২-৩ দিন নিজেদের যানবাহনকে নামাতে চান না। অনেকেই বলছেন, ভোটে কোনও হিংসা হলেই আগে রাস্তায় থাকা গাড়িগুলির ওপর গিয়ে আক্রোশ পড়ে।
তাই শুধু শুধু ক্ষতি বহন করার ইচ্ছে কারোরই নেই। এদিকে, বেসরকারি বাস মালিকদের তরফে দাবি তোলা হয়েছিল ভোটের জন্য বাস তোলা হলে তার ভাড়া যেন বাড়ানো হয়। কিন্তু রাজ্যের পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বেসরকারি বাস-মিনিবাস সহ সমস্ত গাড়ির ভাড়া অপরিবর্তিত রাখছে রাজ্য সরকার।
ভোটের জন্য যেসব যানবাহন তোলা হয়েছে তার ভাড়াও না বৃদ্ধি হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে বাস মিনিবাস মালিকদের একাধিক সংগঠন। পঞ্চায়েত ভোটের অনেক আগে থেকেই ভোটের কাজে তুলে নেওয়া বাস মিনিবাসের দিন পিছু ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তোলা হয়েছিল। তাতেও কর্ণপাত করেনি রাজ্য।
