প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘কারণটা কী বুঝতে পারছি না! আমরা কি আইন ভাঙছি? ৩টির বেশি গাড়ি যাবে না, এমন কিছু কোথাও বলা আছে? সরকারি নির্দেশিকা হচ্ছে, ১০টা থেকে ১ পর্যন্ত পরীক্ষা। আমরা তো তার আগে কোথাও যাইনি। রাহুল গান্ধী যদি সকালে বেরোতেন, তাহলে ট্রাফইক জ্যাম হতে পারত। এখন তো ছাত্রছাত্রীরা স্কুলের মধ্যে, পরীক্ষা দিচ্ছে। তার পাশ দিয়ে গাড়ি চলছে না? মানুষের কি যাতায়াত বন্ধ হয়ে গিয়েছে? বলছে ৩টে গাড়ি, এটা কোনও কথা হল! রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যা নিরাপত্তারক্ষী থাকে, তাতেই ৫টি গাড়ি লাগে। গায়ের জোরে করছে, কী করা যাবে!’
এই প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘৩টে গাড়ি নিয়ে রাহুল গান্ধী কী ভাবে যাবেন, প্রশাসন বলে দিক। রাহুল গান্ধীর একটা গাড়ি। তাঁর কর্মীদের একটা গাড়ি। আর বাকিরা একটা গাড়িতে চাপবে? আমরা সব পিছনে দৌড়তে দৌড়তে যাব, সাইকেলে করে যাব?’
অধীর চৌধুরীর আরও দাবি, ‘রাহুল গান্ধীজি ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় আমরা এই ক’দিন কোনও মাইক ব্যবহার করিনি। এমনকী যদি পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা হয়,তাই গতকাল সন্ধ্যায় রাহুল গান্ধী কোনও বক্তব্যও রাখেননি। অদ্ভুত লাগছে, যখন পরীক্ষার্থীরা ভিতরে পরীক্ষা দিচ্ছে, সেই সময় আমরা ফাঁকা রাস্তা দিয়ে গেলে অসুবিধাটা কোথায়?’
এদিকে এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, ‘মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। আমরা য়াব, সমস্ত নিয়ম মেনেই আমরা যাব। আমাজের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা অবশ্যই হবে। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, আমাদের সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।’ জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বীরভূমে প্রবেশ করেছে রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা। তবে গোটা ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।