প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দাদের অনুমান নাজনীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল পেশায় হাতুড়ে চিকিৎসক চন্দন ইসলামের। আর সেই বিষয়টিই কোনওভাবে কেরিমা বেগম জানতে পেরে যান। যাতে কাউকে তিনি এই বিষয়ে কিছু বলতে না পারেন, সেই জন্যই এই হত্যার ছক বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান পুলিশের।
তদন্তকারীরা অনুমান করছেন, প্রথমে জানালা দিয়ে কেরোসিন ছিটিয়ে দেওয়া হয় এই তিনজনের গায়ে। এরপর ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। অগ্নি সংযোগ করার আগে কোনও গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চন্দনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার নতুন কোনও দিক উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
আব্দুল আলিমের পরিজনরা জানাচ্ছেন, প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন হয়তো শর্ট সার্কিট থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু, পরে তাঁরা গিয়ে দেখেন, এসি থেকে শুরু করে বাড়ির কোনও সুইচবোর্ডই সামান্যতম ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। এরপরেই তাঁদের মনে হয়েছিল চক্রান্তের বিষয়টি। তিনজনের শরীর থেকেই কেরোসিন তেলের গন্ধ আসছিল বলে দাবি করা হয়। আব্দুল পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। সেক্ষেত্রে ব্যবসায় তাঁর কারও সঙ্গে কোনও মনোমালিন্য ছিল কিনা, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।
কিন্তু, তদন্তে ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের দিকটি উঠে আসে। সেই মোতাবেক তদন্ত করছে পুলিশ। আব্দুল আলিমের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ।
