বরুণ সেনগুপ্ত: স্ত্রীকে মেরে স্বামী আত্মঘাতী বারাকপুরে সুর্য্যপুরে। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা চলছিল। আত্মঘাতী স্বামীর নাম নিবারণ মণ্ডল (51) ও স্ত্রীর নাম পিপাসা মন্ডলের (48) এর মধ্যে। বাড়ি মোহনপুর থানার এলাকায় সূর্যপুরে। স্ত্রীকে রান্নাঘরের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে স্বামী। এরপর স্বামী নিবারণ নিজে গলায় গামছা দিয়ে ঘরে আত্মঘাতী হয়। ঘটনার স্থলে পুলিস এসে তদন্ত শুরু করে।
আরও পড়ুন, Katwa Incident: রাজ্যে ফের গণধ*র্ষ*ণ! ‘পোল্ট্রি ফার্মে’ তুলে নিয়ে গিয়ে গৃহবধূকে ২ বর্বর… ভয়ংকর ঘটনা…
কী কারণে এভাবে স্ত্রীকে মেরে স্বামী আত্মঘাতী হল তা খতিয়ে দেখছে মোহনপুর থানার পুলিস। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে একই ঘটনা ঘটেছে হুগলির বৈদ্যবাটিতে। সেখানে রহস্যজনক মৃত্যু যুগলের। মৃতদের নাম মনীশ ভাদুড়ী(৩৫) ও অপর্ণা মাঝি(৩২)। রাত তিনটে নাগাদ তাদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে শ্রীরামপুর থানার পুলিস। বৈদ্যবাটি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীতারাম বাগান এলাকার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তারা। বৈদ্যবাটি রাজার বাগানে মনীশের বাড়ি আছে। গত ছয় বছর ধরে সীতারামবাগানে ভাড়া ছিলেন দুজনে।
তাদের প্রতিবেশী শুভেন্দু মাঝি জানান, রাত তিনটে নাগাদ বাবাগো মাগো বলে চিৎকার শুনতে পান তারা। তারপর ওই বাড়িতে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে একজন এবং ঘরের বাইরে পড়ে রয়েছে একজন। ওই অবস্থায় বেশ কিছুক্ষণ তারা ছটফট করেন। রাজার বাগানে মনীশের বাড়ির লোককে খবর দেন প্রতিবেশী। তারাই পুলিস ডাকে। পুলিস এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায় শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে।
মনীশ একটি ঢালাই কারখানায় কাজ করতেন অপর্ণা পরিচারিকার কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। তারা এক সঙ্গে থাকতেন। দুজনে সকালে কাজে বেরিয়ে যেত।রাতে বাড়ি ফিরত। মনীশ নেশা করত তা নিয়ে দুজনের মধ্যে মাঝে মধ্যে অশান্তি হত বলে জানান প্রতিবেশীরা। তাদের অনুমান নিজেরা মারামারি করার সময় ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করে একে অপরকে।
ঘটনার তদন্তে আসেন চন্দননগর পুলিসের ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্নব বিশ্বাস, আইসি শ্রীরামপুর সুখময় চক্রবর্তী। বাইরে থেকে কেউ করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
