অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায় ও কমলাক্ষ ভট্টাচার্য: সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে! নির্দেশ কেন মানা হয়নি? সাসপেনশন বিতর্কে এবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করল নির্বাচন কমিশন। কবে? আগামীকাল, বুধবার বিকেল পাঁচটায়।

আরও পড়ুন:  Abhishek Banerjee: ‘বাংলায় ১ জনের ভোটাধিকার কাড়লে কমিশন ঘেরাও! শুধু বিরোধীশাসিত রাজ্যে SIR কেন?’

বছরে ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। ছাব্বিশের আগে ‘অস্তিত্বহীন ভোটারে’র খোঁজ মিলেছে রাজ্য়ে। প্রায় দেড় লক্ষ ভোটার কার্ড প্রশাসনের কাছে ফেরত চলে এসেছে বলে খবর। বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব নেই, তাঁদের নাম কীভাবে ভোটার লিস্টে?  বারুইপুর পূর্বের ২  ERO, ২ AERO আর একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কমিশন। চিঠি পাঠানো হয়েছিল নবান্নে, মুখ্যসচিবের কাছে। সঙ্গে fIR করারও সুপারিশও।

এদিকে কমিশনের চিঠির কোনও জবাব দেয়নি রাজ্য়। এরপর ফের চিঠি আসে।  সেই চিঠিতে ওই চার নির্বাচনী আধিকারিক ও ডেটা এন্ট্রি অপারেশনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য রীতিমতো সময়সীমা বেঁধে দেয় কমিশন। সময়সীমা ছিল সোমবার বিকেল চারটে। কিন্ত তারপরেও কমিশনের নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ করেনি রাজ্য। বরং পাল্টা চিঠিতে জানানো হয়, ১ AERO ও ১ ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে ভোটের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়া ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।

নবান্ন সূত্রে খবর, কমিশনের চিঠি পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক সেরে নিয়েছেন মুখ্যসচিব। এখনও পর্যন্ত যা খবর, আগামীকাল বুধবার সকালের ফ্লাইটে দিল্লিতে যাচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন:  Calcutta High Court: তুলকালাম কাণ্ড! কলকাতা হাইকোর্টের গেটের সামনে গায়ে কেরোসিন ঢেলে…

এর আগে, ঝাড়গ্রামে সভা থেকে সাসপেনশন বিতর্কে কমিশনকে নিশানা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, ‘সরকারি দফতরের নাম করে ভয় দেখানো হচ্ছে।  আমার দু’জন অফিসারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সাসপেন্ড করা হল। কোন আইনে বলে তুমি নোটিশ পাঠিয়ে দিচ্ছ। অফিসারদের ভয় দেখাচ্ছে, পুলিসকে ভয় দেখাচ্ছ’। সঙ্গে হুঁশিয়ারি,  ‘আমি কারও পানিশমেন্ট হতে দেব না। এটা মাথায় রাখবেন’।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version