মহিলা আরও দাবি করেছেন, স্থানীয় ওই দুজন মহিলা তাঁর শাশুড়িকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় মহিলা কমিশনের লোক এসেছে বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কী অভিযোগ রয়েছে? শাশুড়ি জানান, তাদের ডেকে রান্না করানো হলেও সেই টাকা পাননি। এরপর একটি সাদা কাগজে তাঁকে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। ওই মহিলা বাড়ি ফিরে স্থানীয় অভিযুক্ত দুই মহিলাকে ফোনে করে বিষয়টি জানতে চাইলেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
এক সপ্তাহ পর তিনি জানতে পারেন, তিন-চার জনকে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করানো হয়েছে। অভিযোগ ছিল, রাতে আমাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে, যেখানে আদৌ এরকম কিছু করা হয়নি। পরে মামলা তুলে নেওয়ার কথা বলতে গেলে স্থানীয় দুই অভিযুক্ত মহিলা তাঁকে হুমকি দে বলেও অভিযোগ। মহিলা পরে জানান, যা ঘটেনি সেটা নিয়ে আমরা মামলা লড়তে চাই না, আমাদের এতো ক্ষমতা নেই। আমরা এই মামলা থেকে সরে আসতে চাই।
বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, ‘সন্দেশখালীর নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ করতে একসময় বাধ্য করেছে বিজেপি! এখন, এই সাহসী মহিলারা যখন বাংলা-বিরোধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছেন, তখন তারা প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন। তাঁদের অর্থহানির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যদিও, নতুন করে এই মহিলার দাবি নিয়ে বিজেপির তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
