ওই মলেরই ১৬ তলায় কাজ করেন মোনাশিস নামে এক যুবক। তিনি বলেন, ‘আমরা অফিসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ করেই ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠল। অ্যাডমিন থেকে নীচে নেমে যেতে বলা হল। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় ফিফথ ফ্লোর পর্যন্ত সমস্ত কিছু পরিষ্কারই ছিল। কিন্তু তারপরেই ঘিঞ্জি পরিস্থিতি দেখা যায়। কারণ সিঁড়ির মধ্যে লোহা, সিমেন্টের বস্তা, প্লাই সহ আরও অনেক কিছু পড়েছিল। ফলে ওই জায়গাটা সরু হয়ে গিয়েছিল। এদিকে ধোঁয়াও বাড়ছিল। ফলে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁদের ধরে ধরে নীচে নামাতে হয়।’ অর্চন বাগচি নামে অপর এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগুন লেগেছিল। যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে আমাদের বের করা হয়। কিন্তু ইমারজেন্সি এক্সিটে প্রচুর ব্লকেজ রয়েছে। সেগুলি নিয়ে আমার আগামীকাল (শনিবার) কথা বলব। আগামীকাল আমরা অফিস বন্ধ রাখছি।’
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। গোটা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি। পরে সংসাদমাধ্যমে দমকলমন্ত্রী বলেন, ‘ওখানে একটা বইয়ের দোকান আছে। সেখানে কিছু ঝালইয়ের কাজ হচ্ছিল। সেখান থেকেই প্রাথমিকভাবে আগুনটা ছড়ায়। ঘটনায় ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্ত সবই হবে।’
অন্যদিকে ডিজি ফায়ার অভিজিৎ পাণ্ডে বলেন, ‘এখন সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুশ্চিন্তার কোনও কারণ। প্রাথমিকভাবে ফায়ার ফাইটিংই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আগুনকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। সব মিলিয়ে ১৫টি দমকলের ইঞ্জিন রয়েছে। তাছাড়া এখানকার অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও রয়েছে।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এলাকার বিধায়ক জাভেদ খান। তিনি বলেন, ‘কেউ আটকে নেই। আগুন নিয়নিন্ত্রণে। কুলিং প্রসেস চলছে। দমকল ভালো কাজ করেছে বলার অপেক্ষা রাখে না।’ তবে ইমারজেন্সি এক্সিটে ব্লকেজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিধায়ক জানান, এমন কোনও খবর তাঁর কাছে নেই।
