Arambag Hospital : মহিলার পেট থেকে বেরোল ৫ কেজি ওজনের টিউমার, অনন্য নজির আরামবাগ হাসপাতালে – arambagh hospital doctors successfully operate a five kilogram tumour from a women body


West Bengal News : সফল অস্ত্রোপচারের (Operation) মাধ্যমে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের এক মহিলার পেট থেকে প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের টিউমার (Tumour) বের করে অনন্য নজির গড়লেন আরামবাগ হাসপাতালের (Arambag Hospital) চিকিৎসকেরা। সেই সঙ্গে প্রাণ বাঁচালেন যন্ত্রণাকাতর ওই মহিলার। এই ঘটনায় ওই মহিলার পরিবারের লোকেরা চিকিৎসকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। তাঁরা অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের পরিষেবা নিয়েও। জানিয়েছেন অশেষ ধন্যবাদ।

Diamond Harbour Hospital : ডায়মন্ড হারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মীদের কর্মবিরতি, ব্যাহত পরিষেবা
জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম লক্ষ্মী চক্রবর্তী। বাড়ি আরামবাগের (Arambag) হরিণখোলার তাজপুর গ্রামে। তাঁর স্বামী সজল চক্রবর্তী পুজো অর্চনা করে সংসার চালান। বেশ কিছুদিন ধরেই লক্ষীদেবী পেটের যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছিলেন। ২১শে জানুয়ারি তিনি নিজেই আরামবাগ হাসপাতালে (Arambag Hospital) ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তখন বুঝতে পারেন তাঁর পেটে টিউমার আছে। তাই দ্রুত অস্ত্রোপচারের (Operation) প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

Tufanganj Hospital : অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা নেই, হাসপাতালের বাইরে পড়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগী
কিন্তু হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) অত্যন্ত কম থাকায় প্রথমে তা সম্ভব হয়নি। তারপর রক্ত দিয়ে তাঁর হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) বাড়ানো হয়। বিশিষ্ট স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আনারুল হকের নেতৃত্বে সোমবার তাঁর সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। তাঁর পেট থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের ওই টিউমার। অস্ত্রোপচারের পর অনেকটাই সুস্থ আছেন লক্ষীদেবী। আরামবাগের মতো একটি মফস্বল হাসপাতালের চিকিৎসকদের এই কৃতিত্বে খুশির হাওয়া সবমহলেই। এই বিষয়ে ডাঃ আনারুল হক বলেন, “এই অস্ত্রোপচার বেশ কিছুটা জটিল ছিল। প্রথমত, আমরা বুঝতে পারি টিউমার অত্যন্ত বড়। দ্বিতীয়ত, রোগীর হিমোগ্লোবিন অত্যন্ত কম থাকায় অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নেওয়া যাচ্ছিল না। তখন রক্ত দিয়ে তাঁর হিমোগ্লোবিন বাড়ানো হয়। কারন তাছাড়া অস্ত্রোপচার করা যেত না। খুশির কথা এটাই যে উনি এই মুহূর্তে ভালো আছেন।”

Nadia Bomb Blast : ধুবুলিয়ায় বিস্ফোরণ জখম মহিলা, বাড়িতেই বোমা মজুত?
জটিল এক অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ কেজি ওজনের টিউমারটি ওই মহিলার শরীর থেকে বাদ দেওয়া হয়। এই বিষয়ে ওই মহিলার স্বামী সজল চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল নয়। বাড়ি বাড়ি পুজো করে সংসার চলে আমাদের। সেখানে আমার স্ত্রী’র এই ধরনের জটিল টিউমার ধরা পড়ায় বেশ চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। কারণ বেসরকারি হাসপাতালে এই ধরনের অস্ত্রোপচারের খরচ অনেক। সেখানে আরামবাগেরই সরকারী হাসপাতালে এত ভালো পরিষেবা যে আর কোনও কিছু চিন্তা হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারবাবুদের অনেক ধন্যবাদ।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে নানান জটিল অস্ত্রোপচার অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে করা হচ্ছে। এই সফলতার সঙ্গেই যে সরকারী হাসপাতালের প্রতি সাধারন মানুষের আস্থা ফিরে আসবে, এই বিষয়ে আশাবাদী রাজ্যের চিকিৎসকমহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *