রবিবার দক্ষিণ-পূর্ব রেলের (South East Railways) শালিমার কুরলা এক্সপ্রেসে (Shalimar Kurla Express) এক যাত্রীর (Train Passenger) টিকিট পরীক্ষার (Ticket Checker) সময়েই গন্ডগোলের সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি এসি টায়ার টু-তে ভ্রমণ করছিলেন। তাঁর কাছে টিকিট পরীক্ষক টিকিট চাইতেই তিনি কোনও টিকিট দেখাতে পারেননি। বরং উলটে পরিচয়পত্র দেখিয়ে দাবি করেন তিনি দক্ষিণ পূর্ব রেলের অ্যাডিশনাল জেনারেল ম্যানেজার (South Eastern Rail Additional General Manager)। পরিচয়পত্রটি হাতে নিয়ে সন্দেহ হয় টিকিট পরীক্ষকের। খতিয়ে দেখতে ধরা পড়ে সেটি জাল। এরপরই ঝাড়গ্রাম স্টেশনের কাছে তাঁকে আরপিএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুমান, অনেক দিন ধরেই তিনি এই জালিয়াতি করে আসছেন। এই জাল পরিচয়পত্র বানানোর পিছনে কোনও চক্র আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক (South Eastern Railways PRO) আদিত্য কুমার চৌধুরী ঘটনাটি স্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, ওই যাত্রী নিজেকে এজিএম পরিচয় দেন এবং ভুয়ো পরিচয় পত্র দেখান। এই ঘটনার পেছনে আর কেউ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিনা টিকিটে ভ্রমণে রেলে মোটা টাকা জরিমানার সঙ্গে শ্রীঘরেও যেতে হতে পারে। জার্নি অল্প দূরত্বের হলে ফাইনের পরিমাণ কম, আর দূরত্ব যায় বাড়ে তত বাড়তে থাকে টাকার পরিমাণ। তাই মাঝেসাঝেই বিনা টিকিটের যাত্রী ধরতে চলে অভিযান। টিকিট না কেটে যাত্রার কারণে রেলকে বহু টাকা ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। অতীতে রেলের দেওয়া হিসেব অনুসারে শুধু পূর্ব রেলেই গড়ে প্রতি বছর বিনা টিকিটের যাত্রীদের থেকে জরিমানা বাবদ কমপক্ষে ১৬ কোটির কাছাকাছি আয় হয়।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
