Alpo Sbalpo Golpo

ভগবান জানে

শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়

হাইরোডের ধারে জলাজমির পাড়ে ভূতোদের হোটেলটা সকলেই চেনে৷ ভূতোর দাদুর আমল থেকে এই চটি হোটেলটায়, এ তল্লাটে অন্তত একবেলা ভাত খায়নি, এমন মানুষ বোধহয় হাজার খুঁজলেও পাওয়া যাবে না৷ হোটেলটা খুলেছিল ভূতোর দাদু স্বর্গত কানাই লাল পাইন৷ দাদুর কোনও ছেলেপুলে না থাকায় ওঁর একমাত্র ওয়ারিশন৷ ভূতোর মা কালীবালার নামে দাদু হোটেলটা লিখে দেন বেঁচে থাকতেই তো ভূতোর বাবা পাঁচুগোপাল সাঁতরা একবারে অকেজো হবার আগে পর্যন্ত, এ হোটেলটা বহাল তবিয়তে চালিয়ে দু’দুটো মেয়ের বিয়ে, কিছু জমিজমা, একখানা একতলা পাকা বাড়ি, আর মোটা অঙ্কের পয়সা কড়ি সঞ্চয় করে এখন বেশ বৃদ্ধ হয়েছেন৷ চোখে ছানি, বুকে হাঁপানি, প্রায়ই যমে মানুষে টানাটানির পরও এখনও বেঁচেবর্তে আছেন৷ তবে এখন চটকরে কারওকে চিনতে পারেন না, কানে শোনেন না, আর রাতদিন কথায় কথায় কেঁদে কেটে বুক ভাসিয়ে দেন৷

 

হোটেলের নাম ‘পথিক সৎকার’৷ ও নামটা রেখেছিলেন কানাইলাল নিজে৷ আজও সেই নামটাই দরমার বেড়ার মোটা মোটা শাল কাঠের খুঁটিতে গাঁথা, চটি হোটেলের বাইরে বড় সাইনবোর্ড, চওড়া হরফে লেখা রয়েছে৷ ভূতো বেশ শক্তপোক্ত চেহারার বুদ্ধিমান খেটে খাওয়া ছেলে৷ ভূতো আর ঝন্টু দুই ভাই পালা করে এ হোটেলটা চালায়৷ এবেলা ভূতো আর ওবেলা ঝন্টু৷ হোটেলটা ভালই চলে৷ কালীবালা আগে রান্না করত৷ তার মায়ের বয়স হয়েছে বলে ভূতো আর তাঁকে আসতে দেয়না হোটেলে৷ সে এখন লোক রেখেই রান্না আর পরিবেশনের কাজ সারে৷ দুই ভাইয়ের মূল কাজ টাকা পয়সার হিসাব, হোটেলের মুখে মিষ্টির বাক্স সামলানো আর খদ্দের দেখাশুনা করা৷ একাজে দুভাই যারপরনাই দক্ষ৷ দুজনের একটাই দুঃখ, হোটেলটা পাকা করার অনুমতি পাওয়া গেল না৷

 

হোটেলটা পাকা হলে আরও দরাজ মনে ব্যবসা করা যেত৷ ভূতো অবশ্য তাতে বিচলিত নয়৷ সে দুঃখকে দূরে সরিয়ে ভাগ্যের দোহাই দেয় ভাগ্যে না থাকলে কোনও কিছুই সম্ভব নয় একথা ভূতো ভালই জানে৷

 

কিন্তু আচমকা একদিন ভূতোদের হোটেলটা যে ‘ভূতেদের হোটেল’ হয়ে যাবে একথা কে ভেবেছিল? কে ভেবেছিল, যে ভূতের হোটেলের বদনামে এমনভাবে খদ্দের আসাই বন্ধ হয়ে যাবে! পথিক সৎকার–এর! ঘটনাটা তাহলে খুলেই বলা যাক—

 

একদিন, রাত তখন আটটা৷ রাতের খদ্দের আসতে শুরু করেছে ভূতোদের হোটেলে৷ হঠাৎ লোডশেডিং হয়ে গেল চারপাশে৷ আর এরই মধ্যে হঠাৎ একটা আর্তনাদ শুনে চমকে উঠল সকলে৷ আর্তনাদটা হয়েছিল হোটেলের ঠিক পিছনে জলা জমিটার কাছেই৷ তাড়াতাড়ি করে হ্যাজাক জ্বালানো হলে সকলেই কানাঘুষো শুরু করে দিল ‘কি হল?’ ‘কি হল?’ বলে৷ হোটেলের অকুতোভয় কর্মী নরেশ একটা টর্চ লাইট নিয়ে দৌড়ে গেল হোটেলের পিছনে৷ আবছা আঁধারে নরেশ দেখল কেউ কোথাও নেই, শুধু বেশ খানিকটা দূরে দুটো ছায়ামূর্তি অন্ধকার ভেদ করে দ্রুতবেগে দৌড়ে চলে গেল৷ তঁদের দূরত্ব অবধি টর্চের আলো পৌঁছল না৷ তবে জোনাকির আলো চকমক করছিল নরেশের দৃষ্টিপথে৷

 

ফিরে এলে সে দেখল হোটেলের বাইরে খদ্দেরদের কেউ কেউ উঁকিঝুকি মারছে৷ ঘটনাটা বুঝে ওঠার চেষ্টা করছে৷ নরেশ এলে তারা তাঁকে ছেকে ধরল ‘কি দেখলেন?’ ‘কেসটা কি? কি ব্যাপার বলুন তো?’ ‘আওয়াজটা কিসের?’ নরেশ টর্চ রেখে হ্যাজাক ঝোলাতে ঝোলাতে বলল, ‘ঠিক ঠাওর করতে পারলুম না৷ শুধু দেখলুম দুটো লোক আঁধারে দৌড়ে পালাল৷ লোকগুলোকে ঠিক চেনা ঠেকল না৷’ সে রাতটা সেভাবে কোনমতে  কেটে গেল৷ হোটেল বন্ধ হবার আগে পর্যন্ত বিদ্যুৎ আর এল না৷ হ্যাজাক বাতিই সম্বল করে চালাতে হল ভূতোর৷ সন্ধ্যার সময়ে সেই প্রতিদিন হোটেলে থাকে৷ ভূতোর হোটেলে ভূতের উৎপাতের এই হল ভূমিকা৷

 

ভূত বলে কিছু একটা আছে একথা ভূতো কোনদিনও বিশ্বাস করে না৷  সে তাবিজ, কবচ, ঝাড়ফুঁক, যন্তর-মন্তর ব্যাপারগুলোকে একবারে মিথ্যা কাজ বলে মনে করে৷ ঠাকুর দেবতা ও ভূতোর কাছে অনাবশ্যক একটা বিষয়৷ ছোট থেকেই সে এমনই একজন নাস্তিক মানুস৷ যাঁরা এসবে বিশ্বাস করে তাঁদের মুখে না বললেও মনে মনে ঘেন্না করে ভূতো৷ পরের দিন সকালবেলা দোকান খুলতে এল ঝন্টু৷ তখন সবে রাত সরান আলো৷ সময়টা কে ঠিক সকাল বলা যাবে না৷ দোকানের দরজায় কড়া নাড়তেই, দরমার দরজা ফাঁক করে নরেশ বাইরে এসে দাঁড়াল৷ ঝন্টু জিজ্ঞাসা করল, ‘ঘুম হয়নি মনে হচ্ছে, চোখমুখ বসা বসা লাগছে৷’ নরেশ যেন এই প্রশ্ণেরই অপেক্ষায় ছিল৷ সে বেশ উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘ঘুমের কি দোষ ছোড়দা৷ সারা রাত ভূতের উৎপাতে ঘুম আসাত দূরের কথা, শুতে পারলুম না পর্যন্ত৷’

 

‘ভূতের উৎপাত! সে আবার কিরকম?’ ঝন্টু দরজা খুলতে খুলতে জিজ্ঞাসা করল৷

সারা রাত কে যেন মাঝে মাঝেই চিৎকার করে উঠেছিল৷ বলছিল ‘আমি মরে গেলুম! মরে গেলুম! আমাকে বাঁচাও! আমি বাঁচতে চাই!’ চেঁচামেচি শুনে টর্চ জ্বেলে বাইরে বেরলুম, কাউকে দেখলুম না৷ এসে শুলুম, ঘুম লাগতে না লাগতেই আবার চিৎকার৷ এমন করেই কেটেছে রাতটা৷ শেষে যখন বিছানাপাটি গুটিয়ে রাখছিলুম তখনই দরজায় ঘা মারলেন আপনি৷’’

 

নরেশের কাঁচুমাচু মুখখানা দেখে ঝন্টু মুচ্‌কি হেসে বলল, ‘ভূতে যে আপনাকে ঘাড়ে করে তুলে নিয়ে যায় নি, এই আপনার ভাগ্য ভাল৷’ নরেশ হাঁ করে কথাটা শুনে বেশ অপ্রস্তুুত হয়ে বলল, ‘আমি জানতুম, আপনি বা বড়দা কেউই  একথা বিশ্বাস করবেন না৷ তাই প্রথমে ব্যাপারটা বলতে চাইনি৷ কিন্তু পরে ব্যাপারটা জানানর প্রয়োজন মনে করলুম  বলেই বলে ফেললুম৷ যাক গে৷’ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নরেশ মাজন হাতে করে দাঁত মাজতে শুরু করল৷

 

হোটেলের পিছনে বসে বহুক্ষণ ধরে দাঁত মাজা নরেশের নিত্যদিনের অভ্যাস৷ অন্য কর্মচারিরা কাছেই থাকে বলে, যে যার বাসায় রাতে হোটেল বন্ধের পর ফিরে যায়৷ শুধু একা থাকে নরেশ৷ বহুদিন এভাবেই চলছে পথিক সৎকার৷ মাজন ঘষকে ঘষতে আপনমনে নরেশ জলা জমিটার পাড়ে বসল৷ প্রতিদিনের মত চারধার দেখতে দেখতে হঠাৎ সে একটা মানুষের পড়ে থাকা শরীর দেখে চম্‌কে উঠল৷ একটা লোক উপুড় হয়ে পড়ে আছে৷ লাশটা অর্ধেক জলে, অর্ধেক ডাঙায়৷ শুকনো রক্ত চাপ বেধে লেপটে রয়েছে কপালে৷ নীল জামা, কালো ট্রাউজারের প্রায় পুরোটাই ভিজে৷ পায়ে জুতো৷ হাতের ঘড়িটা তখনও চলছে টিকটিক করে৷ কাছে এসেই লোকটার চোখদুটো দেখে গা গুলিয়ে উঠল নরেশের৷ চোখ দুটো ওপড়ান৷ রক্ত জমাট বেধে আছে কোটরের গর্তে৷ কি বীভৎস৷ নরেশ চেঁচাতে চেঁচাতে সোজা দোকানে ঢুকে হাঁপাতে হাঁপাতে ঝন্টুকে বলল, ‘ছোড়দা খুন! খুন হয়ে জলার ধারে পড়ে আছে একটা লাশ৷ চলুন দেখবেন একবার৷

 

‘‘কাল রাতে তাহলে এই খুনের আওয়াজটা পাওয়া গিয়েছিল৷’’ ভাল করে লাশটা দেখে ঝন্টু বলল৷ বেলা বাড়ার সাথে সাথে পুলিশ, নেতা, লোকজনে লোকারন্য হয়ে গেল পথিক সৎকারের চারপাশ জলার ধারে৷ রাস্তায় কোথাও তিল ধারনের স্থান পাওয়া যাচ্ছিল না৷ ঘটনাটা শুনে বেলার দিকে ভূতো ও এসেছিল হোটেলে৷ ততক্ষণে অবশ্য লাশটা ভ্যানে করে নিয়ে গেছে পুলিশের ডোমেরা৷ এই পর্যন্ত ঘটনাটা ছিল একটা খুনের ঘটনা৷ দু’তিন রাত পর থেকে হোটেলে নরেশের রাত কাটানো অসম্ভব হয়ে পড়ল৷

 

নরেশকে অনেক বুঝিয়েও যখন হোটেলে থাকার ব্যাপারে রাজি করান গেল না, তখন আপাতত ক’টা দিনের জন্য ভূতো নিজেই হোটেলে শোবে বলে ঠিক করে ফেলল৷ যতদিন না শোবার জন্য অন্য কাউকে ঠিক করা যায়৷ প্রশান্ত আর গগন এই হোটেলেই কাজ করে বটে, তবে তারা দুজনেই ভূতের কান্ড কারখানাশুনে যারপরনাই ভয় পেয়ে রাতে হোটেলে শুতে চাইল না৷ অগত্যা ভূতোকেই শুতে হল হোটেলে৷ ভীতু নয় ভূতো৷ বেজায় নাস্তিক বলে ভূত বা ভগবানের প্রভাব তাঁর কাছে সমান৷ একবারে নেহাতই হাস্যকর আর আজগুবি৷ ভূতোর সেরকমই ধারনা৷

 

রাতে হোটেলে আর্তনাদ শোনা যায়৷ সারারাত ধরে শোনা যায় মানুষের গলায় চিৎকার৷ ভূতো তাই টিউবলাইট জ্বেলে, টেপে একটা ব্যান্ডের গানের ক্যাসেট চালিয়ে দিল৷ সিগারেটে সুখটান দিতে দিতে বিছানা করল মাটিতে৷ একটা সতরঞ্চি৷ তার উপরে দুটো মোটা চাদর৷ একটা পাতলা চাদর পাতল ভূতো৷ মাথার বালিশটা পেতে বিছানায় বসল গা এলিয়ে৷ টেপে তখন বাজছে ‘তোমার দেখা নাই রে, তোমার দেখা নাই’ ভূমি ব্যান্ডের এই বহু শোনা গানটা৷ সে গানের সাথে নিজেও একটু গুনগুনাচ্ছিল ভূতো৷ হঠাৎ আলো নিভে গেল৷ বন্ধ হল টেপ৷ ভূতো তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে, হাতে ধরা লাইটারটা জ্বালিয়ে একটা মোমবাতি জ্বালাল৷ হ্যাজাক জ্বালানর হ্যাপা অনেক৷ আর হ্যাজাকের থেকে মোটা মোমবাতি জ্বালালেই ত কাজ মিটে যাবে৷ খদ্দের ত নেই যে চড়া আলোর দরকার৷ মোমবাতিটা একটা কাঠের টুকরোয় আটকে আবার বিছানোয় গা এলালো ভূতো৷ খালি গা৷ পরনে পাজামা৷ মশার উৎপাতে আবার বিছানা ছেড়ে উঠে মশা তাড়ানোর কয়েল জ্বালাল সে৷

 

সারা সন্ধ্যে খাটাখাটনির পরে চোখে ঘুম নামল৷

 

ভূতোর লাফ ভূতের চিৎকারে৷ ‘বাঁচাও, মরব না, আমি মরব না৷’ কে যেন চিৎকার করে কানে তালা ধরিয়ে দিয়েছে৷ ভূতো ঘুমন্ত অবস্থায় এমনভাবে চমকে ওঠেনি কস্মিনকালে৷

 

স্বপ্ণে এমন হল? না কি নিজের কানেই শুনেছে ? ভূতো ভেবে আকুল হল৷ হাত ঘড়িতে রাত দেড়টার একটু বেশি. আলো আসেনি এখনও৷ একটা বিড়ি ধরাল ভূতো৷ ঘামে সারা শরীর ভিজে গেছে৷ দুঃস্বপ্ণই হবে৷ বিড়ি শেষে আবার গা এলিয়ে দিল বিছানায়৷ কিছু সময় পরে আবার ঘুম জড়িয়ে এল ভূতোর চোখে৷

এতজোড়ে হাত টেনে ‘বাঁচাও আমাকে’ বলে কে চিৎকার করে ডাকল তাঁকে? ধড়মড় করে উঠে বসেছে ভূতো৷ এমনও হয় নাকি৷ এ আবার কি বিপদে পড়া গেল৷ ভৌতিক কারবারই বটে৷  তবে ভূত বলে যে কিস্যু নেই, সেটা আলোটা এলেই প্রমাণ করা যেত৷ ভূতোর চিন্তাটা এমনই ত মনে হল৷ খানিক বাদেই আলো এল৷ টিউবলাইট টা জ্বলে উঠল৷ বন্ধ টেপ রেকর্ড থেকে গান বেজে উঠল, ‘তোমার দেখা নাইরে! তোমার দেখা নাই!’৷

 

এবার শান্তি৷ মাথার উপরে পাখা চলছে৷ টেপে গান বাজছে৷ টিউবলাইট জ্বলছে৷ ভূতেদের দেখা না পাওয়াটাই স্বাভাবিক৷ চোখ বুজল ভূতো৷ হঠাৎ তাঁর ঘুম ভেঙে গেল একটা গোঙানির আওয়াজ৷ চোখ মেলে যখন সে তাকাল তখন সে বেশ আচ্ছন্ন অবস্থায় জলার ধারে পড়ে আছে৷ নিজের গোঙানীর আওয়াজটা বন্ধ হল৷ চোখ মেলে বহু আবছা মানুষকে দেখল ভূতো৷ সকলে ছোটাছুটি করছে৷ সকালের আলোতে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হল মানুষের মুখগুলো৷ ঝন্টু, নরেশ, প্রশান্ত, গগন, নকুল দা, অমিয় পোদ্দার, হাসিবুল, আসলাম, ছটু শেখ, রজতের বাবা, তাপস গুহ, দীননাথ মাষ্টারদের বেশ চিনতে পারছিল ভূতো৷ পথিক সৎকারে বেশ জোরকদমে তাঁর শুশ্রুষা করছিল ওরা৷ ভূতো শুধু মাঝে মাঝে ধরা গলায় বলছিল ‘আমি মরতে চাইনা! আমাকে বাঁচাও তোমরা৷ এরই মধ্যে ডাক্তার সরকার কে নিয়ে ঝন্টু হোটেলে ঢুকল৷ ডাক্তার সরকার পালস্‌ দেখতে দেখতে বললেন, ‘এ যাত্রায় খুব জোর বেঁচে গেছো বাপ্‌৷ আর ঘন্টা খানেক পর তোমাকে সত্যিই মৃত্যু পথের পথিক সৎকারে পাঠাতে হত৷’

 

ভূতোর হোটেলে আজ সত্যনারায়ণ পুজো হচ্ছে৷ বিকেলে হরিনাম সংকীর্তন হবে? দূরদর্শনের একটা নামী সংবাদ চ্যানেল এখন ভূতোর মুখের কাছে লম্বাটে একটা বুম ধরে জিজ্ঞেস করছে, ‘আপনার হোটেলে ভূত আছে, এটাকি আপনি বিশ্বাস করেন?’

 

ভূতো নিরুত্তর৷ ‘না’ বলতে গিয়ে ও সে থমকে গেছে৷ একদিকে হোটেল ব্যবসা আর ভূতে অবিশ্বাস৷

 

 অন্যদিকে  সকলের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনা৷ ভূতো খুব আস্তে বলল ‘ভগবান জানে!