Electric Bill : বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত! শ্রীঘরে যেতে হল বালুরঘাটের চালকল মালিককে – rice mill charger penalty by balurghat court for electricity theft


West Bengal News মিটারে কারচুপি করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো হাস্কিং চালকলে। চালকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে বিদ্যুৎ দফতর। অবশেষে দীর্ঘ বারো বছর বাদে হলো সেই মামলার রায়দান। বালুরঘাট আদালতের (Balurghat District Court) এডিজে স্পেশাল কোর্ট (ইলেক্ট্রিসিটি অ্যাক্ট) অনন্ত কুমার সিংহ মহাপাত্রের এজলাসে সোমবার জরিমানা করা হল দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বালুরঘাটের সংশ্লিষ্ট চালকলকে। বিনাশ্রমে কারাদণ্ড দেওয়ার নির্দেশ চালকলের মালিককে।

South 24 Parganas News : হাঙর ধরার অভিযোগ, কাকদ্বীপে গ্রেফতার ৪ মৎস্যজীবী
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটে দক্ষিণ নাহিট এলাকায় মিটারে কারচুপি করে দীর্ঘদিন ধরে চলত একটি হাস্কিং মিল। ধরতে পারেনি কেউই। মিটার কারচুপির বিষয়টি নজরে আসতেই গোপন ভাবে ওই মিলে অভিযান চালায় বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানে মিটার চুরির বিষয়টি নজরে আসে। বিষয়টি নজরে আসতেই কুশমণ্ডি থানায় এনিয়ে মিলের মালিক রাজ্জাক হোসেনের (৪৫) নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই মামলা চলছিল বালুরঘাট জেলা আদালতে। দীর্ঘ ১২ বছর পর সেই মামলার রায় ঘোষণা করল বিচারক।

Electricity Bill : বিদ্যুতের বিল না দিলে বিপদ! অ্যাপ ডাউনলোড করেই লাখ টাকা খোয়ালেন শিক্ষিকা
আদালতের নির্দেশে অনুযায়ী, মিটার কারচুপির অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হল হাস্কিং মিল মালিককে। এডিজে স্পেশাল কোর্ট (ইলেক্ট্রিসিটি অ্যাক্ট) অনন্ত কুমার সিংহ মহাপাত্রের এজলাশে সোমবার এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী বলেন, ২০০৮ সালের ৪ ডিসেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডির থানার (Kushmandi Police Station) দক্ষিণ নাহিট এলাকার একটি হাস্কিং মিলে আচমকা অভিযান চালায় বিদ্যুৎ দফতর। ওই অভিযানে মিটারে কারচুপির বিষয়টি উঠে আসে। এরপরে কুশমণ্ডি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে মামলা চলার পর এদিন বিচারক ওই মিটার কারচুপির মামলায় মিল মালিক রাজ্জাক হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই জরিমানা মিটিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্ত হাস্কিং মিল মালিক৷

DA Update: বিদ্যুৎকর্মীদের DA মেটাতে তহবিল, উপেক্ষিত বাকিরা
বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই এই জেলা থেকে বিভিন্ন জায়গায় হুকিং করে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ আসছিল দফতরের কাছে। অভিযোগ, বিদ্যুতের ডোমেস্টিক কানেকশন বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে। শুধু তাই নয়, মিটার বাইপাস করে কিংবা অন্যের বাড়ি থেকে হুক করে বিদ্যুৎ নেওয়া হচ্ছে। একের পর এক অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালায় বিদ্যুৎ দফতর। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জেরে বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে অভিযান কার্যত থমকে ছিল। পরে সাম্প্রতিক কালেও ফের অভিযান শুরু করেছে বিদ্যুৎ দফতর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *