এদিন বিশ্বজিৎ বসু কমিশনের কাছে জানতে চান, রাজ্যের ১৯ মে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ মেনে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দিতে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করার কথা জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে, কমিশনের তরফে জানানো হচ্ছে, অবৈধভাবে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন এবং যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে তাঁদের পুনরায় নিয়োগের কারণেই এই শূন্যপদ। এরপরেই বিচারপতির প্রশ্ন, “কোন মন্তব্য সঠিক? কারণ দুটি মন্তব্য পরস্পর বিরোধী”। আদালত নির্দেশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত হলফনামা দিয়ে রাজ্যকে তার অবস্থান জানাতে হবে। একই সঙ্গে এসএসসির এমন আবেদন এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য কি পদক্ষেপ করছে সেই বিষয়টিও আদালতে জানাতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামীকাল। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “বরখাস্ত শিক্ষকের জন্য যদি রাজ্যের মায়া হয় সেক্ষেত্রে অন্য দফতরে চাকরি দেওয়া হোক।
এই বেআইনি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা চাকরি পেলে আগামী প্রজন্ম সমস্যার মুখে পড়বে। এমন বোর্ড ভেঙে দেওয়া উচিত।” আইনজীবীদের একাংশের প্রশ্ন, রাজ্য সরকার সম্মতি না দিলে SSC কি বরখাস্তদের জন্য অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির জন্য আবেদন করতে পারে? উল্লেখ্য, রাজ্যে SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। এই ঘটনায় ED-র হাতে গ্রেফতার হয়ে হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আপাতত আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
