বাঁকুড়ার সোনামুখী শহরে কালীপুজো এবং কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে এখানকার বাসিন্দারা আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন সোনামুখীর কালী এবং কার্তিক পুজো দেখতে। সারা বছর এলাকাবাসীও অপেক্ষায় থাকেন এই সময়টার জন্য। কালীপুজো শেষ হওয়ার পর হাতে গোনা কয়েকটা দিন পরই কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে সেজে উঠবে গোটা সোনামুখী পুরশহর।
কার্তিক পুজো উপলক্ষে গোটা সোনামুখী শহরকে রংবেরঙের আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে। তবে শুধুমাত্র সোনামুখী পুরশহর নয় আশেপাশের গ্রামের সাধারণ মানুষরাও শহরে কার্তিক পুজো দেখতে ভিড় জমিয়ে থাকেন । পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলা পুলিশ প্রশাসন রয়েছে অত্যন্ত সতর্ক। পুজোকে কেন্দ্র করে যাতে কোনওরকম কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় সে কারণে প্রতিটি প্যান্ডেলে মোতায়ন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মোটের উপর কালীপুজোর পর কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে জমজমাট সোনামুখী শহর। আট থেকে আশি সকলেই মেতে উঠেছেন কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে সামিল গোটা শহরবাসী।
পুজোর পাশাপাশি কার্তিক ভাসানকে কেন্দ্র করে শহরের কার্নিভালের চেহারা নেয়। কাটোয়া, সোনামুখীতে ‘কার্তিক লড়াই’ জনপ্রিয় উৎসব। এই রেওয়াজ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কার ঠাকুর আগে যাবে এ বিষয় নিয়ে লড়াই চলে।এই অভিনব লড়াই বা যুদ্ধ রীতিতে রীতিমতো লাঠিসোটা, এমনকী তরোয়ালের ব্যবহার অবধি হয়। লড়াই শেষে বিজয়ী গোষ্ঠী কার্তিক নিয়ে যায়।
