Dilip Ghosh On Madan Mitra : ‘বড় বড় নেতারা যদি গ্যাংস্টার হয়…বাকিরা প্রেরণা পাবেই’, মদনকে তীব্র আক্রমণ দিলীপের – dilip ghosh attacks sougata ray and madan mitra regarding firearms bomb recovery


“একজন বোমা তৈরির ফর্মুলা দিচ্ছেন, আরেকজন আগ্নেয়াস্ত্র চালনোর প্রশিক্ষণের কথা বলছেন। পার্টির নেতারা এসব করলে কর্মীরা তা তো অনুসরণ করবেই,” তৃণমূল নেতাদের ‘গ্যাংস্টার’ আখ্যা দিয়ে অনেকটা এই ভাষাতেই সাংসদ সৌগত রায় (Sougata Ray) এবং বিধায়ক মদন মিত্রকে (Madan mitra) একযোগে আক্রমণ বিজেপি সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। দিলীপের আক্রমণ, ” ওঁদের একজন MP কীভাবে বোমা তৈরি করতে হবে, কী, কী সামগ্রী দিতে হবে সেটা বলে দিচ্ছে। একজন বিধায়ক মদনবাবু বলে দিচ্ছেন ট্রেনিং কীভাবে হবে, কাঁধে কোথায় বন্দুক রাখবে ট্রিগারে কী করে হাত দেবে। এই তো ওঁদের বড় বড় নেতা। তাঁরা যদি এরকম হয় গ্যাংস্টার হয়, তাহলে বাকি যাঁরা আছেন তাঁরা প্রেরণা পাবেই।”

Dilip Ghosh : ‘…দম থাকলে নিজের পয়সায় সিকিউরিটি রাখুক!’ অভিষেককে আক্রমণ দিলীপের
শনিবার নৈহাটির রাজেন্দ্রপুরে মহিলা তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দেন মদন মিত্র। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় সোনারপুর শুটআউট প্রসঙ্গে। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “দিলীপবাবু বলেছেন, ওঁরা কর্মীদের ঘরে ঘরে অস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন। এগুলো তারই অংশ। তবে অস্ত্র কোথায় পৌঁছচ্ছে জানতে পারলে আমাদের ভালই হবে। আমাদের কর্মীরা গিয়ে ওগুলো নিয়ে নেবে। আমাদের কাছে ভাল প্রশিক্ষক রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই প্রাক্তন সেনা কর্মী এবং কর্নেল। আমাদের কর্মীরা ওই বন্দুক নিয়ে প্র্যাকটিস করবে যাতে সেগুলো বিজেপি ব্যবহার করতে না পারে। আমাদের কর্মীরা বন্দুকে গুলি ঢোকাতে এবং বার করতেও শিখবে।” কয়েকদিন আগেই, সাংসদ সৌগত রায়কেও বোমা তৈরির ফর্মুলা নিয়ে কিছু বক্তব্য দিতে শোনা যায়, যা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।

Birbhum News : ফের বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া বীরভূমে, গ্রেফতার ১
বিভিন্ন জেলা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেটা কন্ট্রোল করতে পারছে না পার্টি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণ হচ্ছে যারা এই ধরনের অ্যান্টি সোশ্যাল তারা পার্টির মধ্যে ঢুকে অসামাজিক কাজকর্ম করছে। আর নিজেদের মধ্যে মারপিট করছে। ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে গোলা-গুলি চলছে। পুলিশ কাকে ধরবে ? সবই তো এরকম লোক, তাহলে পার্টি উঠে যাবে। “

Nadia News : কৃষ্ণনগরে দুষ্কৃতী তাণ্ডব-বোমাবাজি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
তবে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে অস্ত্র, বোমা উদ্ধারের ঘটনা আদতে পুলিশের সক্রিয়তার ভালো দিক বলেই মনে করছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। পুলিশি তৎপরতা সাফল্য দেখছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। যদিও এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ গেরুয়া শিবির। দিলীপের পালটা যুক্তি, ” পুলিশ যদি বোমা উদ্ধার করত তাহলে এতো ফাটছে কী করে? হয়তো অন্য জায়গাতে উদ্ধার করছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে যে অবৈধ বোমা বন্দুক আছে, সেটা উদ্ধার করছে না। গণ্ডগোল সেখানেই হচ্ছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *