অনুব্রত ও তার ঘনিষ্ঠদের অ্য়াকাউন্টে ১০ কোটি! বেসরকারি ব্যাঙ্ক আধিকারিককে জেরা সিবিআইয়ের


প্রসেনজিত্ মালাকার: অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে সিবিআই। এমনটাই সূত্রের খবর। গত সপ্তাহেই সিবিআইয়ের দুই আধিকারিক আসানসোল সংশোধনাগার ঘুরে গিয়েছেন। এবার অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে বিপুল টাকা জমা পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই টাকার সন্ধান করতেই বোলপুরে এসে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, অনুব্রত ও তার ঘনিষ্ঠদের বেসরকারি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টে প্রায় ১০ কোটি টাকা পড়েছে। 

আরও পড়ুন-ডিএ আন্দোলনে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার ৪৪ সরকারি কর্মচারী, আহত ৪ পুলিসকর্মী

বুধবার সন্ধেয় বোলপুরের অস্থায়ী ক্যাম্পে এসে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকরা। এখানেই বোলপুরের এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের এক আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে খবর। কারা কত টাকা কার অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছিল তা জানতে চান সিবিআই আধিকারিকরা। পাশাপাশি, আগামিকালও ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কের কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসবাদ করবে সিবিআই। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ নভেম্বর আসানসোল সংশোধনাগারে আসে সিবিআইয়ের একটি দল। পরদিন অসুস্থ বোধ করার আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। জেলা হাসপাতালের চিকিত্সক কিরীটি নায়ক বলেন, বুকে অস্বস্থি বোধ করায় উনি এসেছিলেন। ওঁর ইসিজি হয়েছে। তাতে কোনও সমস্যা ধরা পড়েনি। অন্যান্য মেডিসিন ও সার্জারির চিকিত্সকেরাও অনুব্রতবাবুকে দেখেছেন। তেমন খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি। ব্লাড প্রেসার, সুগার স্বাভাবিক রয়েছে। আগে থেকে যেসব ওষুধ খেতেন তা খাচ্ছেন। সবেমিলিয়ে বলা যায় ঠিকই রয়েছেন উনি।

আসানসোল জেলা সংশোধনাগারে সিবিআইয়ের দুই আধিকারিকের সঙ্গে ছিলেন গোরুপাচারকাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার সুশান্ত ভট্টাচার্য ও তাঁর এক সহযোগী। এদিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে প্রবেশ করেন তাঁরা। গোরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে ইডি। তার মধ্যেই আজ আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে আসেন সিবিআই এসপি রাজীব মিশ্র। তিনি সাক্ষাত করেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর সঙ্গে।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App) 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *