Sand Smuggling : সরকারি ওয়েব পেজের আদলে ভুয়ো সাইট বানিয়ে বালি পাচার! বর্ধমানে ধৃত ৪ – allegations of sand smuggling through fake challan by using fake website in khandaghosh
Happy woman pointing at copy space on whiteboard
West Bengal News সে গুড়ে বালি! বালি পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)৷ বালি উত্তোলনের ক্ষেত্রে বিশেষ আইনও আনা হয়েছে রাজ্যের তরফে৷ তারপরও কমানো যায়নি বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য৷ এবার সরকারি ওয়েব পেজের আদলে নতুন ওয়েব পেজ তৈরি করে জাল চালান বানিয়ে বালি পাচারের অভিযোগ সামনে এল বর্ধমানের (Bardhaman) খণ্ডঘোষে (Khanghosh)। এমনকী জাল চালানে জাল ওয়েব পেজের কিউআর কোডের (QR code) লিঙ্ক দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

Bardhaman News : পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় ডাকাতির ছক বানচাল, মঙ্গলকোটে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ২
জাল চালান (Fake Challan) তৈরি করে বালি চুরি অভিযোগে প্রতারণা চক্রের চার পাণ্ডাকে গ্রেফতার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ (Khandghosh Police Station)। আজ ধৃতদের বর্ধমান আদালতে (Bardhaman Court) তোলা হয়। এই চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত, তাদের সন্ধান পেতে পুলিশ ধৃতদের পুলিশি হেফাজত (Police Custody) নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার খেজুরহাটি থেকে লায়েক আজহারউদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে৷ এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে আরও তিনজনের নাম৷ তাদেরকেও গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম মীর আবু সিদ্দিক, শেখ মনোজ, মণিরুল হোসেন৷ তাদের কাছ থেকে চারটে মোবাইল সহ প্রচুর ভুয়ো চালান বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Money Recovery: ফের রাজ্যে বিপুল অর্থ উদ্ধার, পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি থেকে মিলল লাখ লাখ টাকা
কীভাবে করা হত জাল চালান ?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত দু’টি উপায়ে চালান জাল করা হত। বালির চালান সঠিক কিনা, সেটা জানার জন্য চালানের মধ্যে থাকা কিউআর কোড (QR code) স্ক্যান করলেই সরকারি ওয়েবসাইট http:// mdtcl.wb.gov.in এর পেজ খুলে যায় এবং চালানটি সঠিক কিনা যাচাই করা হত। পুলিশ ও ভূমি রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের চোখে ধুলো দিতে সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে প্রতারকরা http:// mdtcl.wb-gev.in নামে ওয়েব সাইট খোলে এবং জাল চালানের কিউআর কোড (QR code) এই জাল ওয়েব সাইটের সঙ্গে লিঙ্ক করা থাকত। ফলে আধিকারিকরা কিউআর কোড (QR code) স্ক্যান করলেই সহজেই সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে ওয়েবপেজটি খুলে যেত। এতে সরকারি ও জাল ওয়েব পেজের মধ্যে সাদৃশ্য থাকায় আধিকারিকদের চোখে ধুলো দেওয়া সম্ভব হত।

এছাড়াও আসল চালান স্ক্যান করে সেই সেখানে গাড়ির নম্বর, সময়, নাম পরিবর্তন করে আপলোড করা হত এবং চালানে থাকা কিউআর কোডের (QR code) লিঙ্কটি আপলোড করা ইমেজের সঙ্গে লিঙ্ক করে দেওয়া হত। ফলে কিউআর কোড (QR code) স্ক্যান করলেই আপলোড করা এডিটেড ইমেজটি ওপেন হত, যেখানে সরকারি ওয়েব পেজের ডোমেন নেমটিও থাকত। ফলে দ্বিতীয় উপায়ে চোখে ধুলো দিয়ে এডিটেড করা জাল চালান দেখিয়ে বালি পাচার করা হত।

Malda News: রাশি রাশি জাল টাকা! মালদায় পুলিশের জালে ধৃত ১
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এভাবেই পুলিশ ও রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের চোখে ধুলো দিয়ে চলত বালি চুরির আন্তজেলা রমরমা কারবার। কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলত বালি চুরি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে। SDPO সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, “ওদের তৈরি জাল চালানে তারিখ, সময়, স্থান সবই নিখুঁতভাবে দেওয়া থাকত৷ তবে খুব ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, ডোমেন নেমটা চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে৷” তারা এখানকার নাকি অন্য কোথাও থেকে এসেছিল, সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *