Fake Call Centre: কল সেন্টারের আড়ালে প্রতারণাচক্র! হাওড়া সিটি পুলিশের হাতে আটক ৫২ জন – howrah city police detain 52 people from fake call centre in domjur ankurhati


Howrah City Police: হাওড়ায় (Howrah) আবারও এক ভুয়ো কল সেন্টারের (Fake Call Centre) হদিশ। গোপন সূত্রে ভুয়ো কল সেন্টারের খবর পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালান হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। ডোমজুড় (Domjur) অঙ্কুরহাটি IT পার্কে বেশ কিছু সংস্থার কলসেন্টার রয়েছে। এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে গোয়েন্দাদের। বিশালাকার অফিস ভাড়া করে চলছিল প্রতারণা চক্র। পুলিশ সূত্রে খবর, অঙ্কুরহাটির আইটি পার্কে আট হাজার বর্গফুটের একটি অফিস ভাড়া করে সেখানে ভুয়ো কল সেন্টার চালানো হচ্ছিল। হাওড়া সিটি পুলিশ জানিয়েছে, ওই ভুয়ো কল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে মহিলা সহ ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।

Fake Call Center : ফের শহরে ভুয়ো কল সেন্টারের পর্দাফাঁস, সল্টলেক থেকে গ্রেফতার ৩৪
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই কল সেন্টার থেকে বিভিন্ন মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছিল। ব্যাঙ্কে ঋণ পাইয়ে দেওয়া নাম করে ফোন করা হত। গ্রাহকের ব্যাঙ্কের তথ্য আদায় করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব করে দিত কল সেন্টারের কর্মীরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে ওই ভুয়ো কল সেন্টার থেকে অনেক গুলি ল্যাপটপ, কম্পিউটার,হার্ডডিস্ক ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, মূলত উত্তর পশ্চিম ভারতের এই কল সেন্টারে নিয়োগ করা হত। তাদের মাধ্যমেই চলত দেদার প্রতারণা।

Fake Call Centre : টার্গেট বিদেশিরা! হাওড়া হোটেলে ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে চলত টাকা হাপিশের কারবার
সম্প্রতি হাওড়ায় আরও একটি ভুয়ো কল সেন্টারের পর্দাফাঁস করেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ। চলতি সপ্তাহে বুধবার শিবপুরের এক অভিজাত হোটেল অভিযান চালায় শিবপুর থানার (Shibpur Police Station) পুলিশ। হোটেলের একটি রুম ভাড়া করে প্রতারণ চক্রের ফাঁদ পাতা হয়েছিল। ওই ভুয়ো কল সেন্টার থেকে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন নাগরিককে ফোন করে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে যাবতীয় ব্যাঙ্কের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে টাকা লোপাট করে দেওয়া হত।

Fake Call Centre : ফের ভুয়ো কল সেন্টারের আড়ালে প্রতারণা চক্র! বিধাননগরে গ্রেফতার ২৭
বেশ কয়েকদিন ধরেই পুলিশের কাছে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ আসছিল। সোর্স মারফত খবর পেয়ে শিবপুর থানার পুলিশ সাব ইনস্পেক্টর সুজিত ঘোষের নেতৃত্বে হোটেলের পঞ্চম তলের একটি ঘরে অভিযান চালায়। সেখান থেকে থেকে এই প্রতারণা চক্রের দুই মূল মাথা ওয়াসিম আখতার ওরফে স্যাম মার্টিন এবং শেখ সলমন ওরফে পার্কার নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাব ইনস্পেক্টরের অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। হোটেলের ঘর থেকে চার্জার সহ চারটি ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, চারটি হেডফোন, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি মোডেম, পেনড্রাইভ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *