ঠিক কী বলছেন শহরের হুক্কা পার্লারের ব্যবসায়ীরা? বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেস্তোরাঁ এবং হুক্কা পার্লারের মালিক বলেন, “অন্য কোনও জায়গার কথা বলতে পারব না। কিন্তু, আমাদের এখানে আগে দেখা হয় যিনি হুক্কা নিচ্ছেন তিনি ১৮ ঊর্ধ্ব কিনা এবং অন্য কোনও নেশার সামগ্রী মেশানোর কোনও সম্ভাবনা নেই। জানি না কাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তবে হুক্কা বন্ধ হলে ব্যবসার ক্ষতি হবে। এখনও আমাদের কাছে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সমস্তটা জেনেই মন্তব্য করব।”
এই বিষয়টি নিয়ে বেশিরভাগ হুক্কা পার্লারের মালিকই কথা বলতে রাজি নন। তাঁরা জানাচ্ছেন, এখনও কোনও নির্দেশ তাঁদের হাতে এসে পৌঁছয়নি। প্রসঙ্গত, শহরের সমস্ত হুক্কা বার বন্ধ নিয়ে দু’এক দিনের মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে পুরকর্তৃপক্ষের তরফে। পাশাপাশি খোলা বাজারেও হুক্কা বিক্রি যাতে না হয় সেই লক্ষ্যে পুরকর্তৃপক্ষের তরফে নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপও। ফিরহাদ হাকিম আরও জানান, আপাতত তিনি পুর বিষয়টি নিয়েই অনুরোধ করছেন। তবে পুলিশকে হক্কা বার রুখতে সদর্থক পদক্ষেপ করার কথা বলেছেন কলকাতার মেয়র। তিনি জানান, যাতে কোনওভাবই শহরে হুক্কা বারগুলি খোলা না থাকে সেই বিষয়ে পুলিশকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
