বন দফতর সূত্রে খবর, শনিবার ভোররাতে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের (Siliguri-Jalpaiguri NH31) দশদরগা এলাকায় ওত পেতে অপেক্ষা করছিলেন কর্মীরা৷ দু’টি ১৪ চাকার লরিকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন৷ তাদের কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করায় লরিটি তল্লাশি চালানো হয়৷ আর সেখান থেকে কয়লার বস্তার আড়ালে উদ্ধার হয় প্রচুর বার্মাটিক কাঠ৷ কাঠভর্তি দু’টি ১৪ চাকার লরি আটক করেন বেলাকোবা বন দফতরের কর্মীরা।
জানা গিয়েছে, অসম থেকে গুরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল গাড়ি দু’টি। এই ঘটনায় একজন গাড়ির চালককে গ্রেফতার করা হয়। আর এক গাড়ি চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে। তার খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু হয়েছে৷ দু’টি লরিতে উদ্ধার হওয়া কাঠের মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। উল্লেখ্য, বারবার কাঠ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ছে অনেকে৷ তারপরও কাঠ পাচার বন্ধ হচ্ছে না বলেই দাবি স্থানীয়দের৷
সূত্রের খবর, ধৃতকে জেরা করে পুলিশ এই চক্রের মাথা পর্যন্ত পৌঁছতে চাইছে৷ ধৃতকে জেরা করেই কাঠ পাচারের সঙ্গে যুক্ত আরও অভিযুক্তদের খোঁজ পেতে মরিয়া বন দফতর৷ বারবার কাঠ পাচারের খবর সামনে আসায় প্রশ্ন উঠে, ‘পুষ্পা’ সিনেমা দেখে উদবুদ্ধ হয়ে নানা কায়দায় কাঠপাচার করা হচ্ছে নাকি বাস্তবের পাচারে কাহিনিই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। তবে সিনেমায় ধরা না পড়লেও, বাস্তবে একের পর এক কাঠ পাচার রুখে দিচ্ছে পুলিশ ও বন দফতর৷
