আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা শহরের স্বনামধন্য বিদ্যালয় নিউ টাউন গার্লস উচ্চ বিদ্যালয় (New Town Girls High School) ও ম্যাক উইলিয়াম উচ্চতর বিদ্যালয়ে (McWilliam High School) ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনার অনুমতি মিলেছে। তবে ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনার জন্য আলাদা করে কোনও শিক্ষক নিয়োগ এখনও হয়নি বলে অভিযোগ। ইংরেজি মাধমের ছাত্রছাত্রীরা এতদিন ভর্তি না হওয়ায় বিদ্যালয়গুলিতে এখনও পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের শিক্ষকেরাই পড়াশোনা করাচ্ছেন। এমনকি ‘স্পেশাল ক্লাস’ করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পড়ুয়ার সংখ্যা হাতে গোনা হলে আগামী দিনে বাংলা মাধ্যমে পড়ুয়াদের সঙ্গেই পড়াশোনা করতে হবে। আর এতেই অভিভাবকদের চিন্তা বাড়াচ্ছে।এই নিয়ে ইংরেজি মাধ্যম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের একাংশ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানান। এই বিষয়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ (DPSC) চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন বলেন, “জেলায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পড়াশোনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। বিদ্যালয়গুলি উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”
বিদ্যালয় পরিদর্শক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে , জেলায় ইংরেজি মাধ্যম পঠন-পাঠনের জন্য ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তিনটি হাইস্কুল অনুমোদন পেয়েছে। তার মধ্যে শহরের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু হাইস্কুল গুলিতে এখনও পর্যন্ত নতুন করে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। স্কুলে শিক্ষকদের মধ্যে থেকেই ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার ব্যবস্থা করছে। এমনকি ইংরেজি বিভাগে পড়ানোর জন্য শিক্ষক না পাওয়া গেলে চুক্তি ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করার পরিকল্পনা নিয়েছে একাধিক স্কুল। তবে অভিভাবকদের অনেকেই এতে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। হাইস্কুল (High School) গুলিতে ইংরেজি মাধ্যম পরিকাঠামো না গড়ে তুলে কেন প্রাথমিকে ইংরেজি মাধ্যম পড়াশোনা চালু করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ম্যাক উইলিয়াম হাইস্কুলের (McWilliam High School) প্রধান শিক্ষক সুধাংশু বিশ্বাস বলেন, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করার জন্য একটা আলাদা ক্যাম্পাস তৈরি করা হয়েছে। তিনজন শিক্ষক ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর জন্য রয়েছে। তবে প্রয়োজনে চুক্তি ভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যম পড়ানোর শিক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এখন পর্যন্ত ইংরেজি মাধ্যমের ৮০ জন পড়ুয়া রয়েছে। অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ার নিউটাউন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কুসুমিকা মৈত্র বলেন, “১০ জনের বেশি পড়ুয়া থাকলে স্পেশাল স্পেশাল ক্লাস নেওয়া হবে।”
