India China Clash : আকাশপথে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা? চিনা লালফৌজকে রুখতে উত্তরবঙ্গেও কড়া নজরদারি – india china border clash special arrangements in north bengal to combat chinese fighter jets


গালওয়ানের রিপিট টেলিকাস্ট দেখা গিয়েছে অরুণাচলের তাওয়াঙে। মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়েছে ভারতীয় সেনা এবং চিনা লালফৌজ। কিন্তু, তারপরও শিক্ষা নেয়নি চিন (china)। আবারও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে তারা। ফলে আর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। চিনা লালফৌজের ‘বাড়বাড়ন্ত’ রুখতে কোমর বেঁধে নেমেছে পড়েছে ভারত। নিরাপত্তা আঁটসাট করা হচ্ছে সমস্ত সীমান্তে। বাদ পড়েনি বাংলাও। কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে উত্তরবঙ্গ সীমান্তেও।

India China Face Off New Update: মার খেয়েও ‘চালবাজি’ চিনের, হাই অ্যালার্টে সেনা ও বায়ুসেনা
চিনা অনুপ্রবেশ রুখতে উত্তরবঙ্গের সতর্কতা জারি

আপাতত সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও, সতর্কতা অবলম্বন করছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। চিন যাতে কোনওভাবেই আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, তার জন্য ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে। সীমান্তে টহল দিচ্ছে ভারতীয় ফাইটার জেট। মঙ্গলবার রাতেই শিলিগুড়ির হাসিমারা এয়ারবেসে বিশেষ তৎপরতা দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, হাসিমারা থেকে তেজপুর বিমান ঘাঁটিতে এয়ারবেসের উদ্দেশ্যে একটি রাফাল বিমান নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই দুই দিন রাফাল, সুখই ৩০ এবং তেজস লাইটের মতো যুদ্ধবিমান মহড়া হবে। আগামী ১৫ থেকে ১৬ ডিসেম্বর এই নো ফ্লায়িং জোন ঘোষণা করা হয়েছে অসম এবং অরুণাচলের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগাম সতর্কতা হিসেবে উত্তরবঙ্গের কিছুটা অংশেও নো ফ্লায়িং জোন ঘোষণা করা হতে পারে বলেও মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। উত্তরবঙ্গের হাসিমারা সহ গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।

India China Face Off : তাওয়াং সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষ ঘিরে উত্তাল দেশ, জরুরি বৈঠকের ডাক রাজনাথ-জয়শংকরের
জানা গিয়েছে, অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়েও মহড়া সেরে রাখতে পারে ভারতীয় বায়ুসেনা। এছাড়া সেনার সীমান্তবর্তী বাঙ্কারগুলিতে পাঠানো হয়েছে ইজরায়েলের তৈরি হেরোন ড্রোন। LAC-র ওপারে PLA কী ধরনের প্রস্ততি নিচ্ছে, তার উপর নজরদারি করতেই ব্যবহার করা হচ্ছে এই ড্রোন। তবে ৯ তারিখের ঘটনার পর কোনও চিনা ড্রোন কিংবা চিনা যুদ্ধবিমানকে ভারতীয় আকাশসীমায় দেখা যায়নি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, ৯ তারিখের ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় কোও স্থানে চিনা লালফৌজ লুকিয়ে থাকতে পারে কি না, তার আশঙ্কা করেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। দ্বিতীয়বার LAC পেরিয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে আরও বেশি প্রস্তুতি নিয়ে ‘পালটা মার’ দিতে প্রস্তুত ইন্ডিয়ান আর্মি। লাদাখ বা অরুণাচলে স্কাউটের জওয়ানদের কাজে লাগানো হচ্ছে এই নজরদারির কাজে। এমনও সূত্র মারফত খবর পাওয়া গিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *