Street Food in Bengal: বাজারের থেকে অনেক সস্তায় চপ থেকে পিঁয়াজি, সরকারি তেলেভাজার দোকান সুপারহিট – pashim medinipur debra cadc starts chop hot chips shop which become superhit in short time


West Bengal Local News স্বনির্ভর হতে চপ, মুড়ি-ঘুগনি বিক্রির পথ বহু আগেই দেখিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সরকারি দোকানের তালিকায় জুড়ল চপের দোকান। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দিয়ে তেলেভাজার দোকান চালু করল পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের অধীন পশ্চিমবঙ্গ সামগ্রিক অঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ বা (CADC) ডেবরা প্রকল্প। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের দলবতিপুরে সিএডিসি অফিস ক্যাম্পাসে এই সরকারি তেলেভাজার দোকান চালু হতে না হতেই রমরমিয়ে বিক্রি। রীতিমতো পাকা বিলে চলছে তেলেভাজার কেনাকাটা।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের দলবতিপুরে সিএডিসি অফিস ক্যাম্পাসে একটি রুমে এই তেলে ভাজা দোকান চালু হয়েছে। প্রতিদিন দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই দোকান চালু থাকছে। সাধারণ দোকানের থেকে তিন টাকা থেকে পাঁচ টাকার ফারাকে মিলছে চপ, বেগুনি, পেঁয়াজি, পাঁপড়। ফলে উপছে পড়ছে ভিড়। ভাজা শেষ হতে না হতেই শেষ তেলেভাজা।

Uttar 24 Pargana : হাঁউ মাঁউ খাউ! রকমারি জিনিসের পাশাপাশি ভুরিভোজের আসর হাবড়ার মেলায়

সিএডিসি দফতরের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের উৎসাহ দিতে কাঁচা সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করছে। বানানো হচ্ছে চপ, বেগুনি, পেঁয়াজি, পাঁপড়। তাছাড়াও ফিশ কাটলেট, ফিঙ্গার চিপস বানানোর পরিকল্পনা। আগামী দিনে বিরিয়ানি বিক্রি করারও পরিকল্পনা রয়েছে এই দোকানে। মূলত দুপুরের পর তেলেভাজা খেতে অভ্যস্ত মানুষজন। বাজারের থেকে দাম কম হওয়ায় সন্ধের সময় যোগান দিতে হিমশিম খেতে হয় ওই দোকানের মহিলাদের। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কর্মীদের এই তেলেভাজা দোকান চালানোর জন্য প্রতিদিন ১০০ টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে কমিশন ভিত্তিক সান্মানিক দেওয়ার পরিকল্পনা দফতরের।

Purlia News : দেখতে জিলিপি, স্বাদে ভিন্ন পুরুলিয়ার এই তেলেভাজা, কামড় বসালে জুড়িয়ে যাবে প্রাণ

কম্প্রিহেনসিভ এরিয়া ডেভেলাপমেন্ট কর্পোরেশনের আধিকারিক অভিজিৎ নন্দী বলেন, “চলতি মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তেলেভাজা স্টল। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কর্মীরা যাতে কাজ পান এবং অতিরিক্ত টাকা উপার্জন করতে পারেন সেজন্যই তাদের উৎসাহ দিতে এই স্টল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে মেদিনীপুর শহরে এবং ঝাড়গ্রাম শহরে একটি করে এই স্টল তৈরি করা হবে। সেই ব্যাপারে জেলা শাসকের সাথেও কথা হয়েছে। স্থানীয় স্ব সহায়ক গোষ্ঠীর কর্মীরা যাতে কাজ পান সেজন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া। আগামী দিনে গ্রসারি স্টল করারও পরিকল্পনা রয়েছে।” জানা গিয়েছে, দলবতীপুরের ওই স্টলে রোটেশন অনুযায়ী প্রতিদিন ৫-৬ জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কর্মীরা কাজ করছেন। দফতর সূত্রে খবর, শনিবার এবং বৃহস্পতিবার বাদে বাকি দিনগুলিতে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার তেলেভাজা বিক্রি হচ্ছে। তেলে ভাজা বিক্রির সময় দেওয়া হচ্ছে পাকা রশিদ। ফলে শুরুতেই লাভের মুখ দেখছে সরকারি তেলেভাজার দোকান।

পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *