ফোঁড়েদের দাপটে অবিক্রিত ধান। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন কৃষকদের।

হাইলাইটস
- ফড়েদের দাপটে ধান বিক্রি করতে পারছে না প্রকৃত কৃষকরা।
- আবেদন অনুসারে সঠিক পরিমাণ সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা।
- বিক্ষোভ প্রদর্শন বঞ্চিত কৃষকদের।
কিন্তু সেই সমস্ত সুবিধার নাগাল পাচ্ছে না মালদার চাঁচল-১ নং ব্লকের কৃষকরা। অভিযোগ, ২০ কিমি পথ অতিক্রম করে বিপুল অর্থ দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে ক্রয় কেন্দ্রে এসে বিপাকে পড়ছেন তাঁরা। অনেকে ধান বিক্রি করতে না পেরে বাড়িমুখী হচ্ছেন। এদিকে অনলাইনে ১৫ কুইন্টাল ধান বিক্রির আবেদন করলেও সেই পরিমাণ ধান নিচ্ছে না সমবায় সমিতি। তারা মাথা পিছু ৭ কুইন্টাল ধান ক্রয় করবে বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন। সঠিক পরিমাণে ধান বিক্রির দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন বঞ্চিত কৃষকরা। কাতলামারির এক কৃষক আফজল হোসেনের অভিযোগ, “আমাদের ধান নিতে ইচ্ছুক নয়। মাত্র ৭ কুইন্টাল ধান নেবে বলা হচ্ছে। এদিকে চুপচাপ ফড়েদের থেকে অত্যধিক পরিমাণ ধান ক্রয় করছে। মরছি আমরা।”
বাঘাপাড়ার কৃষক সাহিদ হোসেন জানান, “চড়া ভাড়ায় ধান নিয়ে এসছি ১৫ কুইন্টাল। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে ৭ কুইন্টাল নেওয়া হবে। বাকি ধানগুলো আবার ভাড়া করে বাড়িতে নিয়ে যেতে হবে। সরকারি খাতে ধান বিক্রি করলে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে। খোলা বাজারে ধান বিক্রি করলে ভালো হত।” মূলাইবাড়ীর কৃষক আব্দুল রহিমে মুখে শোনা গেল, প্রতি কুইন্টালে ৭ কেজি ধলতা নেওয়া হচ্ছে। যা সরকারি নিয়মের বাইরে। কৃষকদের মেরে মুনাফা লুটছে। যদিও শ্রীপতিপুর সমবায় সমিতির ম্যানেজার রেজাউল ইসলাম জানিয়েছেন, উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ যে পরিমাণে ধান নেওয়া কথা বলেছে। সেই পরিমাণ কেনা হচ্ছে। ধলতা নেওয়ার বিষয়ে মিল মালিক জানে। যদিও কৃষকদের সমস্যার সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
আশপাশের শহরের খবর
Eisamay News App: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ
