অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়ে এদিন সিবিআই আদালতের সামনে অভিযোগ করেন দুবরাজপুর থানার কর্মচঞ্চলতা নিয়ে। জামিনের বিরোধিতা করে ফের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে শোনা যায় প্রভাবশালী তত্ত্ব। উদাহরণস্বরূপ, দুবরাজপুরের ঘটনা তুলে ধরা হয়। সিবিআই বলে, ”যেদিন দিল্লি কোর্ট ইডি কে অর্ডার দিল, সেদিনই দেড় বছর আগে একটা খুনের চেষ্টা অভিযোগে FIR হল আর সেদিনই পুলিশে তাকে হেফাজতে নিল। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি কতটা প্রভাবশালী। ওঁকে আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করতে বাধ্য হই।”
এই প্রসঙ্গে রাজ্যকে গ্রেফতারির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন করেন বিচারপতি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, ”এক বছর আগের ঘটনায় গ্রেফতার করার কী প্রয়োজন ছিল? কতটা ছিল? আপনারা জেলে গিয়ে তাকে জেরা করতে পারতেন না কী? অভিযোগকারীর কি কোনও ক্ষত ছিল?” জানতে চায় কোর্ট। বিচারপতির ভর্ৎসনা, ”এটা কী হচ্ছে! পুলিশ কি পাবলিক প্রসিকিউটরের হাতে, না কি তারা তাদের মতো কাজ করছে? আমাদের দেখান তাঁকে অ্যারেস্ট করার দরকার কি পড়ল?”
দুবরাজপুর পুলিশের তৎপরতাকে কটাক্ষ করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, ”খুব খুব দক্ষ অফিসার। যেদিন অভিযোগ সেদিনই তদন্ত করল। সেদিনই অ্যারেস্ট করল। কিন্তু সে এটা জানে না, মেডিক্যাল রিপোর্ট সবচেয়ে জরুরি। কেন রাজ্যের পরিকাঠামোকে এই ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, অন্য মামলা নষ্ট করতে। আমরা বলতে পারছি না, স্বচ্ছ তদন্তের এটা উদাহরণ নয়। ”
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
