ঠিক কী বলছেন যাত্রীরা?
মাত্র আট ঘণ্টায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হাওড়া (Howrah To New Jalpaiguri) থেকে নিউ জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে। আর এই সময় বাঁচা নিয়ে রীতিমতো আপ্লুত সাধারণ মানুষ। এই প্রসঙ্গে পৌষালি নাহার নামক এক যাত্রী বলেন, “এই সময় সঞ্চয় সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক রং চড়ানো উচিৎ নয়।” সোমবার রাতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কোনও সিস্টেম ১০০ শতাংশ সঠিক নয়। তবে এই ঘটনা অনভিপ্রেত। কিন্তু, আমার যাত্রায় অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়েনি। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পরিষেবায় আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ঠ।” অপর এক যাত্রী রবীন্দ্রনাথ দাস বলেন, “এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। তবে আমার সফরে যা অভিজ্ঞতা হয়েছে সেই অনুযায়ী, নিরাপত্তার খুব একটা অভাব ছিল না। তবে যেই এই ঘটনার নেপথ্যে থাকুক না কেন তার শাস্তির দাবি করছি।”
ঠিক কী বলছেন ফিরহাদ হাকিম?
দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে একাধিক BJP নেতা বন্দে ভারতে হামলার প্রেক্ষিতে সুর চড়িয়েছিলেন। এবার এই প্রেক্ষিতে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “এই ঘটনা যে ঘটিয়েছে অত্যন্ত অন্যায় করেছে। পুলিশের উচিৎ দোষীকে খুঁজে বার করে শাস্তি দেওয়া।” বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম অবশ্য বলছেন, ” ট্রেনে ইঁট ছোড়ার মতো কার্যকলাপ বহুদিন ধরে দুষ্কৃতীরা করে। ঝড়খণ্ডের একটি ট্রেনে আমিও এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলাম।”
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুরের সামসির কুমারগঞ্জের কাছে বন্দে ভারত ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়েছিল। ঘটনায় কাচও ভেঙে যায় ট্রেনের। কে বা কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
(ছবি সৌজন্যে ফেসবুক BJP West Bengal, Tathagata Mukherjee)
