জিটিএ এখনও কোনও প্রস্তুতি নিতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। দার্জিলিং পুরসভায় হামরো পার্টির হাত থেকে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরে কার্যত ডামাডোল চলছে। নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন না-হওয়া পর্যন্ত কী হবে কেউই জানে না। শিলিগুড়িতেও পুর কর্তাদের কোনও হেলদোল নেই বলে অভিযোগ পর্যটন ব্যবসায়ীদের। অথচ সিকিম ও অরুণাচলের পর্যটন পরামর্শদাতা রাজ বসু বলেছেন, ‘কেন্দ্র-রাজ্য-সহযোগী সংগঠনগুলিকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে দ্রুত কাজে নামার কথা। তার কোনও চিহ্ন দার্জিলিংয়ে নেই। অথচ, এই বৈঠকটির মাধ্যমে আমরা দার্জিলিংয়ের পর্যটন পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারতাম। জানি না কী হচ্ছে।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ধাঁচে গড়ে তোলা জি-২০ মূলত বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে। প্রতি বছর সদস্য দেশগুলিতে পালা করে বৈঠক হয়। যেহেতু বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিনিধিরা আবহাওয়া পরিবর্তন এবং স্থিতিশীল উন্নয়ন নিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করেন, তাই উদ্যোক্তা দেশগুলি সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দেশের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।
হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেছেন, ‘চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্যস্তরে জি-২০ নিয়ে একটি বৈঠক হতে পারে বলে শুনেছি। ওই বৈঠকটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদগ্রীব। কেননা, লকডাউনে যেভাবে বিদেশি পর্যটকেরা দার্জিলিং থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, সেটা আবার ফিরে আসতে পারে। তবে তার জন্য সামগ্রিক ভাবে উদ্যোগী হতে হবে।’
