সেলভামুউরগান বলেন, “দুটি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। মালদা ও এনজেপিতে দুটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত চালাচ্ছি। আরপিএফও তদন্ত করছে, আমরা তাদের সাহায্য করব। নজরদারির জন্য আলাদা করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রপ তৈরি করা হয়েছে। জিআরপির জন্য এই গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে। আশা করি এই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হবে না। বন্দে ভারত ট্রেনে আরপিএফের পাশাপাশি জিআরপিও থাকবে। তারা হাওড়া স্টেশন অবধি যাবে। কেন হামলা করা হয়েছে, তা আমরা এখনই বলতে পারছি না। গ্রেফতার করা হলে জেরা করেই হামলার আসল কারণ জানা যাবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সেই কারণে সংবাদমাধ্যমের সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”
উদ্বোধনের পর থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে একের পর এক হামলার ঘটনা চলছে। সোমবার মালদার কুমারগঞ্জ স্টেশনে আক্রমণের মুখে পড়ে এই সেমি বুলেট ট্রেন। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। পাথরের আঘাতে ট্রেনের কাচ ভেঙে গিয়েছে। বন্দে ভারতের ভিতরে থাকা যাত্রীরা এই ঘটনায় আতঙ্কতি হয়ে পড়েছিল। মঙ্গলবার ফের হামলার মুখে পড়ে বন্দে ভারত এক্সপ্রসে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ঢোকার মুখে ইট ছোড়া হয় এই সুপারফাস্ট ট্রেনকে লক্ষ্য করে। ইটের আঘাতে ভেঙে যায় জানালার কাচ।
এই ঘটনা নিয়ে এই সময় ডিজিটালের তরফে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ” নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। পাশাপাশি মানুষেকেও বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মানুষ না বুঝলে হামলা আটকানো যাবে না। সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হলে মানুষেরই তো ক্ষতি। আমরা ট্রেনের নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি চলছে।”
