Calcutta High Court : হাইকোর্টে হাতাহাতি-গালিগালাজ! এজলাস ছাড়লেন বিচারপতিরা, পিছোল ৪০০ মামলার শুনানি – calcutta high court witnessed chaos among tmc supported advocates and opposition as justice rajasekhar mantha hearing boycotted


সামনের সারিতে তৃণমূলপন্থী মহিলা আইনজীবী। উলটোদিকে বিরোধীরা। চলছে গালিগালাজ। এমনই নজিরবিহীন চিত্র দেখা গেল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ভিতরে। নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন একাধিক আইনজীবী। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাজ বয়কটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল হট্টগোল বাঁধল আদালতে। এমনকী, আদালতের বাইরেও শহরের একাধিক এলাকায় বিচারপতি মান্থার নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে গিয়েছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। পদক্ষেপ গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya), কৌস্তুভ বাগচী সহ অন্যরা। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব বিক্ষোভকারীদের কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অবিলম্বে এই বিক্ষোভ বন্ধ না করলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Calcutta High Court : ‘বিচারপতি একনায়ক!’ জাস্টিস মান্থার এজলাস বয়কট করে তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ, উত্তাল হাইকোর্ট
ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি (Chief Justice Of Calcutta High Court)

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এদিন গোটা ঘটনা শোনেন। তিনি বলেন, “এই ভাবে চলতে পারে না। আমরা কোনও পদক্ষেপ করলে তারা কি করবে? সেটা ভেবে দেখতে বলুন। বার অ্যাসোসিয়েশনের কি করছে? প্রেসিডেন্টকে দেখা করতে বলুন।” এরপর অ্যান্টর্নি জেনারেল তাঁর এজলাসে এসে বলেন, “আমি সবেমাত্র বিষয়টি জানতে পারলাম।” প্রধান বিচারপতির কথা শোনার পর তিনি বিক্ষোভরত আইনজীবীদের বলেন, “এটা ভালো হচ্ছে না। এগুলো করা উচিত নয়। অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নিন। আমি অনুরোধ করছি।” প্রধান বিচারপতি একটি নির্দিষ্ট সময় দেন, তার মধ্যে বিক্ষওভ তুলে না নিলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। বিক্ষোভরত আইনজীবীদের বলেন, “এটা ভাল হচ্ছে না। এগুলো করা উচিত নয়। অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নিন। আমি অনুরোধ করছি।” তৃণমূলপন্থী বিক্ষোভকারী আইনজীবীদের একাংশ পালটা এজিকে বলেন, “অনেক মামলায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পুনরায় মামলা খারিজ হয়ে গেলে তখন তার দায়িত্ব কে নেবে?”

Babita Sarkar : ‘ববিতা নয়, আমিই যোগ্য প্রার্থী!’ হাইকোর্টের দ্বারস্থ শিলিগুড়ির অনামিকা
প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে শুনানি বন্ধ থাকে বিচারপতি মান্থার এজলাসে। তবে এজলাসে এসেও বেরিয়ে যান বিচারপতি মান্থা। জানা গিয়েছে, ১০০টিরও বেশি মামলায় রাজ্যের পক্ষের আইনজীবীরা অনুপস্থিত ছিলেন এদিন। ৪০০টিরও বেশি মামলা ডেকেও শুনানি হয়নি সোমবার। এই পরিস্থিতিতে সব মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এজলাস ছেড়ে বেরিয়া যান বিচারপতিরা। এমন নজিরবিহীন ঘটনা কলকাতা হাইকোর্টে আগে কখনও ঘটেনি বলেই জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *