‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছিল তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার গলায়। আসানসোলের সাংসদের সেই মন্তব্যকে ‘ব্যক্তিগত মতামত’ বলে তৃণমূল এড়িয়ে গেলেও এই নিয়ে কটাক্ষ শোনা যায় বিজেপি রাজ্য সভাপতির গলায়। তিনি বলেন, “শত্রুঘ্ন সিনহাকে কি কেউ সিরিয়াসলি নেয়! আপনারা নিচ্ছেন নিন। আবার কখন ‘খামোশ’ বলে দেবে তখন সবাই চুপ করে যাবেন।” বিহারে বন্দে ভারত একপ্রেসে ঢিল ছোড়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা’। পাশাপাশি নাম না করে খোঁচা দিয়ে সুকান্ত বলেন, “কিছু মানুষ আছে যারা ভারতবর্ষের উন্নতি সহ্য করতে পারেনা। এদেশে থাকে, খায় আর গুণগান গায় অন্য দেশের।”
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের দুয়ারে সরকার প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে পুরস্কার পেয়েছে। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিম ভট্টাচার্যের হাতে সেই পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত বলেন, “দুয়ারে সরকার কোনও পুরস্কার পায়নি। দুয়ারে সরকার ডিজিট্যাল প্লাটফর্ম ব্যবহারের বিষয়টি পুরস্কার পেয়েছে’। তৃণমূল এতদিন সরকারে থাকার পরও কেন এত মানুষকে দুয়ারে সরকারের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে?”
সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ ‘দিদির দূত’-দের গাছে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। এদিন দিলীপের মন্তব্যে কার্যত স্বীকৃতি দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত। তিনি বলেন, “মানুষ ভূত দেখলে তো বেঁধে রাখবেই। দূত বা ভূত হিসেবে যারা যাবে তারা তো অনেকেই চাকরি বা আবাস যোজনার নামে টাকা নিয়েছে। গ্রামের মানুষ বেঁধে তো রাখবেই”
