Primary School : নেই শিক্ষক! দেগঙ্গায় বন্ধ হতে চলেছে আরও একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র – north 24 parganas deganga area primary school of going to close due to lack of teacher


West Bengal News : রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার হাল খুব খারাপ, এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় বিরোধীদের মুখে। অবস্থা এমনই যে রোজই রাজ্যের কোথাও না কোথাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কোনও সরকারী বিদ্যালয় (Government School) বা প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary School)। এর পিছনের আসল কারন খুঁজতে গেলে দেখা যায় যে শিক্ষক বা শিক্ষিকার অভাবেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, বা বন্ধ হতে চলেছে সেই স্কুল। এমনই এক ঘটনার খবর পাওয়া গেল উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলার দেগঙ্গা (Deganga) এলাকা থেকে।

Primary School : মদ্যপান করে স্কুলে প্রধান শিক্ষক, টানা বিক্ষোভের জেরে বড় সিদ্ধান্ত নিল আরামবাগের স্কুল
অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষিকার অভাবে বন্ধ হতে চলেছে এলাকার একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (Primary School)। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে রীতিমতো প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অভিভাবকরা। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গার (Deganga) দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাত হাতিয়া গ্রামে। ঘন্টাখানেক ধরে শিক্ষা কেন্দ্রের মূল গেটের বাইরে চলে এই বিক্ষোভ।

Nadia News : ICDS কেন্দ্রে পোকা ধরা চাল খেয়ে অসুস্থ পড়ুয়া, বিক্ষোভ নদিয়ায়
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার সাতহাতিয়া এস এস কে স্কুলের মোট ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ১০৭ জন। শিক্ষিকা আছেন মাত্র দু’জন। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সাইয়েদা রহিমা খাতুন দু’মাস পরেই অবসর নেবেন। অন্য শিক্ষিকা জাহানারা খাতুন শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই রহিমার সঙ্গে তিনিও স্বেচ্ছা অবসর নেবেন বলে জানিয়েছেন। তাই এই দুই শিক্ষিকা অবসরে গেলে কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে সাত হাতিয়া এস এস কে বিদ্যালয়টি। স্কুল বন্ধের ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই ছেলেমেয়েদের অন্য স্কুলে ভর্তি করাবেন বলে টিসিও নিয়েছেন প্রায় ৭০ জন ছাত্রছাত্রী। কিন্তু তাদেরও অন্য স্কুল ভর্তি নিচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এরই প্রতিবাদ স্কুলে বিক্ষোভ দেখান ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা।

Mid Day Meal : মিড-ডে মিলের ডালে ভাসছে সাপ! খাবার খেয়ে অসুস্থ পডুয়ারা! ময়ূরেশ্বরে চরম উত্তেজনা
একজন অভিভাবক জানান, “ওপরমহলে বহুবার জানানো হয়েছে যে স্কুলে শিক্ষিকার দরকার। এমনিতেই আছেন মাত্র দুজন শিক্ষিকা, আর এত এত পড়ুয়া। ১০০ জনের ওপর পড়ুয়া সামলাতে দুজন শিক্ষকের নাভিশ্বাস ওঠে। কিন্তু এই স্কুলটি চালানো নিয়ে কারোর কোনও হোলদোলই নেই। রি দুজন শিক্ষিকা অবসরে গেলেই স্কুলটি যে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে, তা আমরা বুঝে গিয়েছি।” ব্লক প্রশাসন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা এখনও পর্যন্ত কোনও সাড়া পায়নি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, গত বছরই শিক্ষকের অভাবে বীরভূমের লাভপুর ব্লকে তিনটি উচ্চ প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ধুঁকছে অন্য বেশ কয়েকটি। এরকম ভাবে চললে রাজ্যে যে কত স্কুল বন্ধের মুখে পড়বে, সেই নিয়েই আশঙ্কিত রাজ্যের শিক্ষামহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *