Joka Taratala Metro : এসপ্ল্যানেড চালু হলে জোকা মেট্রোর ক্ষতি কমার সম্ভাবনা – if the esplanade opens loss of the joka metro is likely to be reduced


এই সময়: উদ্বোধনের দিন ৫ হাজার ৩ জন যাত্রী। দ্বিতীয় দিন ৩ হাজার ১০২ জন। এর পর কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইন অর্থাৎ জোকা-বিবাদী বাগ লাইনের জোকা থেকে তারাতলা পর্যন্ত অংশে রোজ গড়ে যাত্রিসংখ্যা ২১০০ থেকে ২৭০০-র মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। মাঝেরহাট পর্যন্ত লাইন সম্প্রসারণ হলে যাত্রিসংখ্যা আরও কিছুটা বাড়বে বলে আশা করছেন কলকাতা মেট্রোর কর্তারা। কিন্তু যতক্ষণ না এসপ্ল্যানেডের (Esplanade) সঙ্গে জোকা জুড়ছে, ততক্ষণ এই লাইনে যে অপারেটিং রেশিও কমার সম্ভাবনা নেই- সেটা মেট্রো আধিকারিকরা জানেন বিলক্ষণ। কলকাতা মেট্রোর অপারেটিং রেশিও এখন ৪৫০, অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকা রোজগার করতে কলকাতা মেট্রোকে (Kolkata Metro) ৪৫০ টাকা খরচ করতে হয়। সকাল ১০টা থেকে ঘণ্টা দুই, আবার বিকেলে দু’ঘণ্টা। মাঝখানে দুপুরে টানা তিন ঘণ্টা পুরোপুরি বন্ধ পরিষেবা। আপ লাইনে সারা দিনে ৬টি, ডাউন লাইনে ৬টি- সাকুল্যে ১২টি রেক নিয়ে শুরু হয়েছে পার্পল লাইনের পরিষেবা। স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু না-হওয়ায় আপাতত একটি রেক লাইন ধরে এগোচ্ছে, আবার ওই রেক ফিরছে একই লাইন ধরে।

East West Metro: গঙ্গার নীচে দিয়ে যাওয়া ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সুড়ঙ্গের কাজ এখন কোথায় দাঁড়িয়ে? জানুন
স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল-ব্যবস্থা চালু হলে কি আরও বেশ কিছুটা বাড়ানো সম্ভব হতো পার্পল লাইনের পরিষেবা? জোর গলায় তেমন দাবি করতে পারছেন না কলকাতা মেট্রোর কর্তারা। এর অন্যতম প্রধান কারণ, অবশ্যই লোকাভাব। শুধু মেট্রোর চালক বা মোটরম্যানের সংখ্যা ধরা হলে ফাঁকা রয়েছে অন্তত ৫০ শতাংশ পদ। কলকাতা মেট্রো সূত্রের খবর, মোটরম্যানের পদ ৩৯৬, কিন্তু মোটরম্যান রয়েছেন মাত্র ২০৮ জন- ৫০ শতাংশের কিছু বেশি। এর মধ্যে নর্থ-সাউথ লাইনের জন্য নির্দিষ্ট ১৭৮ জন। বাকিদের ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো এবং পার্পল লাইনে দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পার্পল লাইনে পরিষেবা বাড়াতে যে লোকবল দরকার, তা কোথায়?

Kolkata Metro : ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের দিন ইডেন ফেরত দর্শকদের জন্য স্পেশাল মেট্রো, কখন-কোন স্টেশন থেকে ছাড়বে ট্রেন?
তবু পার্পল লাইন শুরুতেই কিছুটা আশা দেখিয়েছে মেট্রোকে। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী বলেন, ‘ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রথম চালু হয়েছিল সল্টলেক-সেক্টর ফাইভ থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত অংশে। তখন দিনে গড়ে ৭০০-র কাছাকাছি যাত্রী হতো। সেই তুলনায় পার্পল লাইন অনেকটাই এগিয়ে।’ মাঝেরহাট স্টেশন পর্যন্ত পরিষেবা চালু হলে পার্পল লাইন আরও যাত্রী টানবে বলে আশা করছেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক। তবে তাঁর বক্তব্য বলেন, ‘শিয়ালদহ চালু হয়ে যেতেই ইস্ট-ওয়েস্টের দৈনিক যাত্রিসংখ্যা একলাফে ৪৫ হাজার হয়ে যায়। পার্পল লাইনে সেটা সম্ভব এসপ্ল্যানেড চালু হলে, তবেই।’ এখন তাই নির্মীয়মাণ অংশের কাজ দ্রুত করে ২০২৬-এর সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে চাইছে রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল)। ততদিন পার্পল লাইন চলবে স্থানীয় যাত্রীদের ভরসাতেই। যাঁরা ডায়মন্ড হারবার রোডের যানজট এড়াতে ইতিমধ্যেই মেট্রোকে বেছে নিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *