বিপুল টাকা নিয়ে ১৭ জনকে চাকরি! বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে উঠল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ


মনোজ মণ্ডল: বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার বিরুদ্ধে ২-২.৫ লক্ষ টাকা করে নিয়ে পেট্রাপলের সেন্ট্রাল পার্কিংয়ে ১৭ জনকে চাকরি দেওয়ার উঠল। এনিয়ে সরব হলেন বাগদার বিধায়ক তথা বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। ভাইরাল অশোকের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের অডিও। ওই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করা করা সম্ভব হয়নি জি ২৪ ঘণ্টার পক্ষে।

আরও পড়ুন-  ২৪ ঘণ্টাই অক্সিজেন সাপোর্টে! মারণ রোগের সঙ্গে চলছে লড়াই, কী হল আইপিএল জনকের?

গোপালনগর বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের পথসভা থেকে বাগদার বিধায়ক তথা বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, অপদার্থ সমাজবিরোধী বিধায়ক পেয়েছেন আপনারা। পেট্রোপোলের সেন্ট্রাল পার্কিংয়ে ১৭ জনকে দুই আড়াই লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক । নিজের শ্যালক ও বোনকে চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এবং আগামীতে গোপালনগরে গিয়ে কুরুচিকর কথা বললে সাধারণ মানুষ ঝাঁটাপেটা করলে তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু করার থাকবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি । 

বিশ্বজিৎ দাস বলেন আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়েছেন । অডিও প্রকাশিত হলেই সত্য জানা যাবে। 

টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া প্রসঙ্গে বনগা উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া বলেন, বিশ্বজিৎ দাসকে আমি চ্যালেঞ্জ করছি আমি টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়েছি প্রমাণ করতে পারলে আমি বিধায়ক পথ ছেড়ে দেব। উনি না প্রমাণ করতে পারলে উনি বিধায়ক পদ ছেড়ে দেবেন তো  ? অশোক কীর্তনীয়ার বোন এবং শ্যালক চাকরি পেয়েছেন কিনা সে বিষয়ে তিনি ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি । তবে তিনি বলেন, বিশ্বজিত্ দাসের অতীত ঘাঁটলে এনামুল চলে আসবে, অনুব্রত চলে আসবে। উনি কে এবং কী জিনিস তা বনগাঁর মানুষ জানে।  বেইমানকে বেইমানই বলি। বিশ্বজিত্ বাগদায় দাঁড়িয়েছিলেন। বিজেপি কর্মীরা তাকে জিতিয়েছিল। যখন দেখলেন বিজেপি ক্ষমতায় আসেনি তখন তৃণমূলে চলে গেলেন। সেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপরেই এখন অত্যাচার শুরু করেছেন। তাহলে তাকে বেইমান বলব না তো কী বলব।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App) 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *