CA Exam: CA পরীক্ষায় দেশে ২০তম স্থান দখল উত্তর দিনাজপুরের অক্ষতের, কীভাবে ঝুলিতে কাঙ্খিত সাফল্য? – uttar dinajpur resident akshat jain secure 20 rank in chartered accountancy examination


চার্টাড অ্যাকাউন্টেসি পরীক্ষায় (CA Exam) দেশে ২০তম স্থান দখল করে নজির গড়লেন উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়ার কানকি এলাকার বাসিন্দা অক্ষত জৈন। নজরকাড়া এই সাফল্যে তাঁর আত্মীয়পরিজনের পাশাপাশি খুশি এলাকার বাসিন্দারা। তাঁর এই সাফল্যের নেপথ্যে বাবা-মায়ের পাশাপাশি শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য, জানান অক্ষত। উল্লেখ্য, উত্তর দিনাজপুর জেলার ছোট্ট একটি জায়গা চাকুলিয়ার কানকি। সেখানেই ছেলেবেলা থেকে বড় হয়ে ওঠা অক্ষতের। অক্ষতের বাবা অনিল জৈন একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। ছোটবেলায় অক্ষত পড়াশোনা করেছেন কানকিরই এক বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। এরপর পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিহারের কিশানগঞ্জের একটি স্কুলে পড়াশোনা করেন। ২০১৮ সালে সিবিএসসি-র পরীক্ষায় ৯৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে কিশানগঞ্জ জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপক হয়েছিলেন। এরপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে বি.কম পাশ করে সিএ পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন অক্ষত। ২০২২ সালে নভেম্বর মাসে সর্বভারতীয় স্তরের এই পরীক্ষায় বসেন অক্ষত। মঙ্গলবার সেই পরীক্ষার ফল বেরোতেই দেখা যায় সারা দেশে ২০র‍্যাঙ্ক করেছেন তিনি। তার রেজাল্টের খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুশির হাওয়া পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে। তাঁর এই সাফল্যের পিছনে বাবা-মায়ের পাশাপাশি শিক্ষকদের অবদান বলে জানিয়েছেন অক্ষত। অন্যদিকে ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত বাবা অনিল জৈন।

UPSC Result 2022: বাংলামাধ্যমে পড়েই বাজিমাত, UPSC-তে দেশে দ্বিতীয় আলিপুরদুয়ারের রাজমিস্ত্রির ছেলে বাপ্পা
অক্ষতের বাবা অনীল জৈন বলেন, “আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি চাই সমস্ত ছেলে তাঁর বাবা-মায়ের নাম উজ্জ্বল করবে। তাঁদের ভালো হোক। স্থানীয় এলাকায় উন্নতি হোক। এখানে স্কুল কলেজ হোক। ছাত্রছাত্রীরা সেখানে পড়াশোনা করুক।” অন্যদিকে, অক্ষত বলেন, “আমার মা-বাবা অনেক কষ্ট করে আমাকে অনেক কষ্ট করে পড়িয়েছেন। এরপর আমার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে ভালো ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে তাঁরা ভর্তি করিয়েছিলেন। এরপর আমাকে পড়াশোনার জন্য কলকাতায় পাঠান। আমি CA পাশ করার জন্য অত্যন্ত পরিশ্রম করেছি। আর এই লড়াইয়ে আমার সঙ্গ দিয়েছেন বাবা-মা , অধ্যাপক, শিক্ষকরা।”

Snigdhajit Bhowmik : স্টেশনেই কেটেছে বহু রাত, হৃত্বিকের লিপে গানের সুযোগ কী ভাবে? জানালেন রায়গঞ্জের স্নিগ্ধজিৎ
তাঁর কথায়, “আমি পড়াশোনা করে মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে চাই। পাশাপাশি আরও পড়াশোনা করতে চাই।” অক্ষতের এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশি তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁর এক আত্মীয় বলেন, “ছেলেবেলা থেকেই অক্ষত অত্যন্ত মেধাবী। ও পড়াশোনা করতে ভালোবাসত। ওর এই সাফল্য পরিবারের এবং আশেপাশের অনেককেই উৎসাহিত করবে। আমরা সকলেই ওর জন্য অত্যন্ত খুশি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *