Pradhan Mantri Awas Yojana : ‘বাংলা’ মুছে রাতারাতি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ! কাণ্ড দেখে হতবাক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী – central panchayat minister of state visit pm awas yojana house in krishnanagar nadia


West Bengal Local News: শুক্রবার একাধিক কর্মসূচি নিয়ে নদিয়া জেলায় গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারে বিরুদ্ধে বহুবার কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে রাজ্য সরকারে বিরুদ্ধে চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awas Yojana) নাম বদলে বাংলা আবাস যোজনা করেছে সরকার। নদিয়া সফররত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে কৃষ্ণনগর ১ ব্লকের রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তদারকিতে বের হন। তখনই একটি বাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চোখে পড়ে যেখানে লেখা রয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়িটি নির্মিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় বছর আগের লেখা বাংলা আবাস যোজনা মুছে কেন্দ্রীয় সরকারে নাম ওখানে লেখা রয়েছে। বাড়ি দেখে মন্ত্রীর কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। তিনি বলেন ‘রঙের উপর নতুন প্রলেপ করে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের নাম লেখা হয়েছে।’ দেওয়ালে থাকা আলাদা রং নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।

Pradhan Mantri Awas Yojana : ‘আবাস যোজনা’ লেখায় গণ্ডগোল! হাতেনাতে ধরলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, আবাস যোজনায় তৈরি বাড়ির এই দেওয়াল লিখন তাঁর সফরের কথা জানতে পেরেই লেখা হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেখতে এসেছিলাম। আপনারও দেখলেন বাড়ির বাইরে দেওয়াল লিখন দেড় বছের আগের। কিন্তু, দেখে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে যে সবেমাত্র লেখা হয়েছে। কোনও অভিযোগ ছাড়াই আমি পরিদর্শনে এসেছিলাম। সত্যি না মিথ্যে কথা বলছে তা আপনারাই বুঝে নিন।’

Nadia News : Whatsapp-এ অন্য ছেলের সঙ্গে ছবি প্রেমিকার, অভিমানে আত্মঘাতী শান্তিপুরের যুবক?
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল পাটিলের সফর প্রথম থেকেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিলেন। প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা থাকলেও জেলা শাসক সহ প্রশাসনের কেউ আসেননি। প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, জেলাশাসক ছুটিতে রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, জেলাশাসক নিজে না থাকলেও কোনও প্রতিনিধি পাঠানো উচিত ছিল। গোটা বিষয়টি তিনি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও কেন্দ্রীয় স্তরে জানাবেন।

Didir Suraksha Kawach : বয়স্কদের পা ছুঁয়ে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-র সূচনা বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়কের
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল প্রথম মালদাতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন। মালদাতে আবাস যোজনা নিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, নিজে চোখে যা দেখলেন তিনি তা মন্ত্রককে রিপোর্ট আকারে জানাবেন। মালদার পর নদিয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে জেলার প্রশাসনের আধিকারিকদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *