এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ২০২৪ সালের প্রধানমন্ত্রী পদে যোগ্য উত্তরাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্টভাষায় উত্তর দেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য প্রসঙ্গে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ”গণতান্ত্রিক দেশে সবাই স্বাধীনভাবে নিজের বক্তব্য পেশ করেত পারে। তাই এই মন্তব্যের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু, আসলে বিষয়টি হল এদেশে প্রধানমন্ত্রী পদে কোনও ভেকেন্সিই নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশ সহ মহিলাদের উন্নতির জন্য এত কাজ করেছেন যে জনতা ওঁকেই ভরসা করে। দেশের হত দরিদ্র থেকে শিল্পপতি, মহিলা থেকে কর্মজীবী সকলের আস্থা মোদীতেই। তাই আমার নিশ্চিত বিশ্বাস, মোদীজির নেতৃত্বে ২০২৪ সালেও বিজেপি আবার ক্ষমতায় আসবে এবং তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী।” এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নাকি রাহুল গান্ধী, শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী কে? হেসে প্রশ্ন উড়িয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উত্তর, ”এইটুকু ব্যস! লিস্ট তো আরও লম্বা।”
সোনারপুরে যাদবপুর লোকসভা প্রবাস বৈঠকে যোগ দিতে এসে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার সম্পর্কে উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মূলত এখানে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার জেলা কার্যকর্তা এবং বিধানসভার প্রবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যকর্তারা এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। মোট ৭০ জন কার্যকর্তাকে নিয়ে বৈঠক করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বুথ লেভেলের সংগঠনের কী অবস্থা তা বিস্তারিতভাবে তিনি এই মিটিং থেকে খোঁজখবর নেবেন। যাদবপুর লোকসভা প্রবাস বৈঠকে যোগ দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ৭০ জন কার্যকর্তাকে নিয়ে এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও কার্যত ফাঁকা হলে শুরু হল এই সাংগঠনিক বৈঠক।