West Bengal News: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (WB Panchayat Election 2023) পাখির চোখ করে মিড-ডে মিলের জন্য ব্যয় বরাদ্দ বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। মুরগির মাংস ও ফল দেওয়ার জন্য ৩৭২ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে একাধিক জায়গায় মিড-ডে মিলের খাবার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার বীরভূম জেলার দুবরাজপুর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চমরুচকপাড়ায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নিম্ন মানের খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে কাঠগড়ায় তোলেন গ্রামবাসীরা। শুধু তাই নয় অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় চার পাঁচ বছর ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। এক কিলো আলুতে পাঁচ লিটার জল দিয়ে সেই খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বাচ্চাদের, এমনটা অভিযোগ গ্রামবাসীদের। অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা বিবিকে বেঁধেও রাখা হয় দড়ি দিয়ে। পরে স্থানীয় এক বাসিন্দার হস্তক্ষেপে রেহাই পান অঙ্গনওয়া়ড়ি কর্মী। অন্যদিকে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর অভিযোগ, গ্রামবাসীরাই রান্নাতে জল মিশিয়ে দিয়েছেন। Siliguri News : মেনুতে মুরগির মাংস-ফল! নয়া স্বাদের মিড-ডে মিলের জেরে শিলিগুড়ির স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের ভিড় গ্রামের বাসিন্দা রেণু বিবির বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য ভালো খাবার চাই। ভালো মানে খাবার দেওয়া হচ্ছে না। এক কিলো আলুতে তিন-চার লিটার জল দিয়ে, নুন ও হলুদ মিশিয়ে কোনও রকম রান্না করে দেওয়া হচ্ছে। কোনও কিছু বললে অফিসের দোহাই দেওয়া হয়। দু-তিন বছর ধরে এই কাণ্ড চলছে। অফিস থেকে লোক এসে দেখে গিয়েছেন। ওনাদের ধমক দেওয়া হলেও কোনও বদল হয়নি। এদেরকে এখান থেকে ট্রান্সফার করতে হবে। আজ আমরা খাবার নিতে এসেছিলাম। দেখে খুবই খারাপ মানের ডিম রান্না করেছে। আমরা আলুতে কোনও জল মেশাইনি। এখানে অনেকে রয়েছেন, তাদের জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে। আমরা এই খাবার নেব না বলে জানিয়েছি।’
Mid Day Meal : মাত্র ৫ টাকা ৪৫ পয়সা কী ভাবে পুষ্টি! প্রশ্ন বরাদ্দেই অন্যদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা বিবি বলেন, ‘খাবার নিতে আসে, কিন্তু ছাত্রদের স্কুলে পাঠানো হয়না। কোনও কথা বললে কথা শোনে না। আমাকে হেনস্থা করা হয়েছে। দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার পাশাপাশি ঝাঁটা দিয়ে মারতে যাওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে যে খাবার বরাদ্দ আছে আমি সেই খাবারই দিয়েছি। কিন্তু গ্রামের লোকরা চাইছেন আলু মুসুরির ঝোল যা আমাদের বরাব্দ নেই। আমি সমস্ত ঘটনার কথা সিডিপিও স্যার কে জানিয়েছি । আমি তো কোনো দোষ করিনি তাও গ্রামবাসীরা যদি আমাকে বেঁধে রাখতে চাই রাখুক আমি আইনি পথে লড়ব