এদিন সুব্রত আরও বলেন, “BJP-র দুই বিধায়কের মাথায় ভূত চেপেছে। এদের ভূত তাড়াতে ওঝার ঝাড়ন দেব”। কথাটা কি মুখ ফসকে বলে ফেলেছিলেন? পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও সুব্রত নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন। গ্রামবাংলার উদাহরণ হাজির করে তিনি বলেন, ‘‘ভুল তো কিছু বলিনি৷ ভূত চেপেছে। তাই এদের ভূতের ঝাড়ন দেওয়া দরকার৷’’ দামোদরের জলে ‘কীভাবে নিরঞ্জন’, তা অবশ্য খোলসা করেননি শাসকদলের নেতা৷ যা শুনে BJP-র দাবি, “আমাদের দুই বিধায়ককে ওরা ভয় পেয়েছে৷ মানুষ ভয় পেলে ভূত দেখে৷ আর তৃণমূল BJP-কে দেখছে”।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দুদিন আগে বাঁকুড়া (Bankura) জেলার ওন্দা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অমরনাথ শাখা (MLA Amarnath Shakha) সোনামুখীর (Sonamukhi) এই কোচডিহি এলাকাতেই দলীয় সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “এখন দরজায় দরজায় দিদির দূতেরা আসছেন। ওরা দিদির দূত নয়, দিদির ভূত৷ আপনারা ঝাঁটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন৷ এলেই ওদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন”। এর আগেও প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে বেলাগাম মন্তব্য করে একাধিকবার বিতর্কে জড়াতে দেখা গেছে ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখাকে। আর সোনামুখী বিধানসভার কোচডিহি এলাকায় অঞ্চল সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তৃনমূলের দিদির দূত কর্মসূচিকে বেলাগাম আক্রমণ করে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষকে ঝাঁটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকার নিদান দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেন তিনি। যার জেরে তৃণমূল নেতা সুব্রত দত্তর আজকের এই আক্রমন।
