Didir Doot : পানীয় জল থেকে বার্ধক্য ভাতা নিয়ে অভিযোগ, দিদির দূত কর্মসূচিতে বিক্ষোভের মুখে রায়নায় বিধায়ক – rayna tmc mla faced villagers protest at didir doot campaign


West Bengal News : বর্ধমানে গলসির পর এবার রায়না। জনসাধারণের বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের বিধায়ক। ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে গিয়ে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হল রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়াকে। দলীয় নেতৃত্বের সামনেই ক্ষোভের মুখে পড়লেন রায়নার (Rayna) বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া। যদিও একাধিক অভিযোগ পেয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক অনুদান আটকে দেওয়ার কারণেই অনেক কাজ আটকে রয়েছে বলে জানান তিনি।

Saugata Roy : আবাস নিয়ে ক্ষোভ, দত্তপুকুরে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে বিক্ষোভের মুখে সৌগত
শনিবার রায়না ২ নম্বর ব্লকের বড়বৈনান পঞ্চায়েতের আদমপুরে মা বিশালাক্ষ্মীর মন্দিরে পুজো দিয়ে হিসেবে দিদির সুরক্ষা কবচ (Didir Suraksha Kavach) কর্মসূচি শুরু করেন বিধায়ক। সকাল থেকে কর্মসূচি ঠিকভাবে চললেও বড়বৈনানের মণ্ডলপাড়ায় গিয়ে বিপত্তি বাধে। এলাকার বিধায়ককে কাছে পেয়ে গ্রামবাসীরা ক্ষোভ উগড়ে দেন। রাস্তা, পানীয় জল প্রকল্প থেকে এলাকার বাসিন্দারা বঞ্চিত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। কর্মসূচিতে বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রায়না ২ নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি জুলফিকার আলী খান, রায়না ২ নম্বর ব্লকের সহ-সভাপতি বৈদ্যনাথ শীল, সহ-সভাপতি অরুন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মুন্সী হাসিবুর রহমান, রায়না ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মুন্সি আসমা তারা বেগম।

Didir Suraksha Kawach : ‘অভিযোগ শুনতেই এসেছি…’, ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে ক্ষোভের মুখে পড়ে তৃণমূল সাংসদের সাফাই
তবে একাধিক অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিলেও বিধায়ক জানান, গত দেড় বছর ধরে ১০০ দিনের কাজ আটকে রয়েছে। অনেক কাজের পরিকল্পনাও রয়েছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। তবে গোটা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে যত দ্রুত সম্ভব গ্রামবাসীদের সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। তবে গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, তাঁর বাবার মাত্র বিঘে খানেক জমি আছে। বাবার বয়স ৭২ বছর। তবুও বার্ধক্য ভাতা মিলছে না। গ্রামের আরও ২৫ থেকে ৩০ জনের একই অবস্থা। তাঁরা সকলেই বার্ধক্য ভাতা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু কিছুতেই তিনি সেই বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, নিকটবর্তী গ্রামগুলিতে সজল ধারা চালু হলেও এই গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা এখনও মেটেনি বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দরবার করেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

Didir Doot : ‘টাকা কোথায়?’ ‘দিদির দূত’ কর্মসূচির আগেই নির্মল মাজির নামে পোস্টার
প্রসঙ্গত, ১১ জানুয়ারি থেকে রাজ্যের ৩৩০০ গ্রাম থেকে শুরু হয়েছে ‘দিদির দূত‘ (Didir Doot) নামক কর্মসূচি। কিন্তু প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে বিক্ষোভ সংঘটিত হচ্ছে। কর্মসূচিতে মূলত বুথের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছাড়া জেলা সভাপতি, পঞ্চায়েত সভাপতি, ব্লক সভাপতি, প্রধান, উপপ্রধানের সঙ্গে বিধায়ক, সাংসদরাও গ্রামে, গ্রামে পরিদর্শন করছেন। তবে অনেক জায়গাতেই জনরোষের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল নেতাদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *