রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছ’বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় না। তাই ছাত্র সংসদ সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীন। বার বারই অভিযোগ উঠেছে, অস্তিত্বহীন ছাত্র সংসদের প্রাক্তন পদাধিকারীরাই এখনও কলেজে রয়ে গিয়েছেন। সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja 2023) করতে এই সব প্রাক্তন নেতাই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে টাকা দাবি করেন। পঙ্কজ সংবাদমাধ্যমে জানান, খাবারের টেন্ডারের পাশাপাশি মণ্ডপ বানানোর জন্যেও কোটেশন নেওয়া হয়েছে। এখানে ৬২৫ জনের জন্যে ফ্রায়েড রাইস, ৭৫ জনের জন্য খিচুড়ির ব্যবস্থা থাকছে। সঙ্গে কাশ্মীরি আলুরদম, বেগুনি, নবরত্নকারি, পাঁপড়, টম্যাটোর চাটনি, বড় রসগোল্লার জন্যে টেন্ডার ডাকা হয়েছে।
মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের (Manindra Chandra College) অধ্যক্ষ মন্টুরাম সামন্ত বলেন, “পড়ুয়ারাই পুজো করবে। আমাদের পরিচালন সমিতিতে এক জন ছাত্র প্রতিনিধি আছে। কালচারাল সাব-কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তিন দফায় খরচ বাবদ চেক দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে প্রতিমা, প্যান্ডেল এবং পুজোর সরঞ্জাম কেনাকাটার জন্যে অগ্রিম দেওয়া হয়েছে। বাকি অর্থ ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি দেওয়া হবে।”
আশুতোষ কলেজের (Asutosh College) এক কর্তা বলেন, “আমাদেরও ছাত্রছাত্রীরাই পুজোর দায়িত্বে রয়েছে।” সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja 2023) করতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার ডাকা প্রসঙ্গে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজের অধ্যক্ষ পূর্ণচন্দ্র মাইতি বলেন, “ওদের বড় ব্যাপার। আমাদের কলেজের পুজো পড়ুয়ারাই করবে। তবে টাকা খরচের দায়িত্ব শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের হাতেই।”
