এদিন দুপুরে ভারত জোড়ো পদযাত্রায় কার্শিয়াংয়ে পৌঁছে প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘বিজেপি এবং তৃণমূল পাহাড়ের মানুষকে নিয়ে রাজনীতি করছে। কখনও গোর্খাল্যান্ডের কথা বলেছে। কখনও অন্য কথা বলছে। কংগ্রেস কখনই পাহাড়ের মানুষকে নিয়ে এই রাজনীতি করেনি।’ বিমল গুরুংয়ের ফের গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পথে নামার ঘোষণার দিন তাঁর পাশে মোর্চা নেতাদের পাশাপাশি ছিলেন বিনয় তামাং এবং হামরো পার্টির প্রধান অজয় এডওয়ার্ডসও। বিমল গুরুং বলেছেন, ‘পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড গঠনের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জিটিএ। আমরা এই চুক্তির স্বপক্ষে অন্যতম স্বাক্ষরকারী ছিলাম। সেই কারণেই সরে দাঁড়াতে চাইছি।’ কেন্দ্র, রাজ্য এবং আন্দোনকারীদের নিয়ে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি মাত্র একটি চিঠিতেই বাতিল হয়ে যায় কি না সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তিনি দেননি।
তবে মোর্চা নেতারা পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন, দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদের যেমন সাংবিধানিক বৈধতা ছিল সেটা জিটিএর নেই। মোর্চা এই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালে জিটিএ অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে। গত কয়েক মাস ধরে উত্তরবঙ্গকে ঘিরে নানা জল্পনা চলছে। উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হতে পারে বলে যেমন জল্পনা রয়েছে, তেমনই জীবন সিংহ অসমে ফিরে আসার পরে পৃথক কামতাপুর রাজ্য গঠনের সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিন সেই জল্পনা আরও উসকে দেন বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ‘কেএলও, বোরোল্যান্ডের দাবিদারদের নিয়ে আলোচনা চলছে। অথচ আমাদের ডাকা হচ্ছে না?’
