Bimal Gurung : ফেব্রুয়ারিতেই আন্দোলন, কালিম্পংয়ে ইঙ্গিত বিমলের – bimal gurung said to start protest again for gorkhaland


এই সময়, শিলিগুড়ি: পাহাড়ে ফের নতুন করে আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দিলেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। সোমবার জিটিএ চুক্তিপত্র থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি। পাহাড়ে পৃথক রাজ্য গঠনের লক্ষ্যে এদিন কালিম্পংয়ের দশ মাইলের মাড়োয়ারি প্যালেসে সভা হয় মোর্চার। ওই সভার পরে তিনি জানান, জিটিএ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা কেন্দ্র, রাজ্য, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লিখিত ভাবে জানানো হবে। পৃথক রাজ্য আদায়ের লক্ষ্যে ‘ভারতীয় গোর্খাল্যান্ড সংঘর্ষ সমিতি’ নামে নতুন সংগঠন তৈরির কথাও এদিন ঘোষণা করেন তিনি। দেশের নানা প্রান্তের নয় জন নেতা এই সমিতির শীর্ষ পদে থাকবেন। গোর্খাল্যান্ড আদায়ের রূপরেখাও তাঁরাই তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন বিমল। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সদস্যরা পৃথক রাজ্য আদায়ের দাবিতে আন্দোলনের রূপরেখা চূড়ান্ত করবেন। তার পরেই পাহাড়ে প্রচারে নেমে পড়বে মোর্চা।

Alipurduar News : বিশ সাল বাদ! প্রকাশ্যে কেএলও নেতা জীবন সিংহ
এদিন দুপুরে ভারত জোড়ো পদযাত্রায় কার্শিয়াংয়ে পৌঁছে প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘বিজেপি এবং তৃণমূল পাহাড়ের মানুষকে নিয়ে রাজনীতি করছে। কখনও গোর্খাল্যান্ডের কথা বলেছে। কখনও অন্য কথা বলছে। কংগ্রেস কখনই পাহাড়ের মানুষকে নিয়ে এই রাজনীতি করেনি।’ বিমল গুরুংয়ের ফের গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পথে নামার ঘোষণার দিন তাঁর পাশে মোর্চা নেতাদের পাশাপাশি ছিলেন বিনয় তামাং এবং হামরো পার্টির প্রধান অজয় এডওয়ার্ডসও। বিমল গুরুং বলেছেন, ‘পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড গঠনের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জিটিএ। আমরা এই চুক্তির স্বপক্ষে অন্যতম স্বাক্ষরকারী ছিলাম। সেই কারণেই সরে দাঁড়াতে চাইছি।’ কেন্দ্র, রাজ্য এবং আন্দোনকারীদের নিয়ে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি মাত্র একটি চিঠিতেই বাতিল হয়ে যায় কি না সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তিনি দেননি।

Bharat Jodo Yatra : শেষ হতে চলেছে ভারত জোড়ো যাত্রা, সাফল্য কামনা করে অধীরকে বার্তা সেলিমের
তবে মোর্চা নেতারা পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন, দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদের যেমন সাংবিধানিক বৈধতা ছিল সেটা জিটিএর নেই। মোর্চা এই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালে জিটিএ অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে। গত কয়েক মাস ধরে উত্তরবঙ্গকে ঘিরে নানা জল্পনা চলছে। উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হতে পারে বলে যেমন জল্পনা রয়েছে, তেমনই জীবন সিংহ অসমে ফিরে আসার পরে পৃথক কামতাপুর রাজ্য গঠনের সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিন সেই জল্পনা আরও উসকে দেন বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ‘কেএলও, বোরোল্যান্ডের দাবিদারদের নিয়ে আলোচনা চলছে। অথচ আমাদের ডাকা হচ্ছে না?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *