ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে তুলে ময়দান কাঁপানো সাথী দেবনাথ বলেন, “খুবই ভালো লাগছে। যে কোনও খেলোয়াড়ের স্বপ্ন থাকে বড় ক্লাবের হয়ে খেলার। সেক্ষেত্রে জার্সিটা পরে অত্যন্ত ভালো লেগেছিল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এবার নজরে আই লিগ।” অন্যদিকে, তৃষা বলেন, “কোনওদিন ভাবিনি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলব। ছেলেরা সবসময় হারে মেয়েরা জিতেছে। এই জয় ইস্ট বেঙ্গলের সমর্থকদের। আমার পরিবারের পাশাপাশি কোচদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।” অন্যদিকে, ভিন রাজ্যের কন্যা শিবানীও দত্তপুকুরের ফুটবলপ্রেমীদের ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত। তিনি বলেন, “এত ভালোবাসা পাব ভাবিনি। অত্যন্ত আনন্দিত। আগামী দিনে আরও পরিশ্রম করার চেষ্টা করব।”
এদিকে, দত্তপুকুরের বাসিন্দা শিবনাথ বসু বলেন, “আমরা অত্যন্ত গর্বিত। এই জয়টা অনেক বড়। ওদের বহু পথ চলা বাকি। ওদের জন্য দত্তপুকুরের আরও অনেকে অনুপ্রাণিত হবে।” ফুটবল অন্তপ্রাণ এবং ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক অভিজিৎ দাশগুপ্ত বলেন, “আমরা আপ্লুত। দত্তপুকুরের এই কন্যারা আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে।” কন্যাশ্রী কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এই তিনজনের কাছে আই লিগ খেলার সুযোগ আসতে চলেছে। আগামী দিনের লড়াইটা অনেকটাই ‘কঠিন’। কিন্তু, কোনওভাবেই ভয় না পেয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন এই তিন কন্যা। দত্তপুকুরের এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থকের কথায়, “ওদের জন্য গর্বে বুক ফুলে যাচ্ছে। মেয়েরা আমাদের বহু কাঙ্খিত জয় এনে দিল। আগামী দিনে ওদের ঝুলিতে আরও সাফল্য আসুর, এই কামনা করি।”
